নাইটক্লাবে গণধর্ষিত যুবতীর মৃত্যু

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ৪, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৪১:অপরাহ্ণ, জুন ৪, ২০১৮
নাইটক্লাবে গণধর্ষিত যুবতীর মৃত্যু

ব্যাংককের একটি নাইটক্লাবে গণধর্ষিত হয়েছেন ২১ বছর বয়সী এক যুবতী। এরপর তাকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃত অবস্থায়। এক পর্যায়ে ওই যুবতীকে ওই নাইটক্লাব থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখা যায় চার যুবককে। নিহত ওই যুবতীর আত্মীয়রা মনে করছেন ২৬ শে মে ছানথাবুরিতে নাইটক্লাবে গণধর্ষণ করা হয়েছে তাকে। এরপর তাকে মৃত ফেলে রাখা হয়। তারা আরো বিশ্বাস করেন তাকে মদ পান করানো হয়েছিল। টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অপহরণকারীদের থামাতে পারেন নি তিনি। এখন ওই যুবতীর ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তার এক নিকট আত্মীয় বলেছেন, সন্দেহভাজনদের ধরার জন্য তারা ফরেনসিক পরীক্ষার ফলের জন্য অপেক্ষা করছেন। নিহত ওই যুবতী একজন সিঙ্গেল মা। ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে তার। তিনি অনলাইনে কসমেটিক সামগ্রি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি আরো বলেছেন, নিহত যুবতী একজন এতিম। তার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু তাতে বিচ্ছেদ ঘটেছে। এরপর থেকে তিনি নিজেই দু’সন্তানের দেখাশোনা করছিলেন। সে কিভাবে পোশাক পরে বা বন্ধুদের সঙ্গে কিভাবে নাইটক্লাবে সময় কাটায় এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আন্দাজে ধারণা করা ঠিক নয়। ধর্ষিতার মৃতদেহ এখনও মর্গে আছে। তা ফেরত দেয়া হলে ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। এরপর বিচারের জন্য অপেক্ষায় থাকবে তার পরিবার। মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন লিখেছে, ধর্ষিতাকে ঘটনার রাতে মুয়াং ছানথাবুরিতে অরবিট পাবে দেখা গিয়েছিল। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তিনজন বান্ধবী। এরপরই তারা সেখান থেকে লাপাত্তা হয়ে যান। বন্ধুরা ধরে নিয়েছিলেন যে, তিনি হয়তো বাসায় চলে গিয়েছেন। কিন্তু সিসিটিভির একটি রেকর্ডিয় ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মিডিয়ায়। তাতে দেখা যায়, চারজন যুবক অচেতন ওই যুবতীকে নাইটক্লাব থেকে বের করে আনছেন। তারপর তাকে একটি পিকআপ ট্রার্কের ভিতরে ফেলা হয়। সঙ্গে সঙ্গে পিকআপটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ওই চার ব্যক্তিকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছানথাবুরি পুলিশ প্রধান মেজর জেনারেল ছারান জিতজিউজুন বুধবার তাদেরকে সনাক্ত করেছেন। ওই চার যুবক হলো নাত্থাপং সায়েনক্লা (২৪), পাত্থাবি বুনথাম (২৩), সুরাসিত হাইখাম্মি (২৩) ও ১৮ বছর বয়সী একজন (তার নাম বয়সের কারণে প্রকাশ করা হয় নি। এর মধ্যে তিনজন ওই যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছে। বলেছে, তারা ওই যুবতীকে টেনেহিচড়ে নিয়ে যায় নি। তবে ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে ধর্ষণে সে অংশ নেয় নি।