বরিশালে প্রথম দফায় ২০ হাজার কম্বল পাবে গরীব-দুস্থরা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:৩১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০১৭ | আপডেট: ৯:৩১:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০১৭
বরিশালে প্রথম দফায় ২০ হাজার কম্বল পাবে গরীব-দুস্থরা

বরিশাল : কুয়াশা কিংবা ঘাসের ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু বলে দেয় শীত মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। তবে শীতের আবহ কিংবা তীব্রতা উপলব্দি করতে অপেক্ষা করতে হবে আরো বেশ কয়েকটা দিন, এমনটাই যেন প্রকৃতির নিয়ম। এদিকে নিয়ম ধরেই যেন বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও অতি দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের জন্য এবছরের প্রথমদফায় শীতকালীন কম্বল এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের সেই কম্বর ইতোমধ্যেই জেলার ১০ উপজেলায় বন্টন করে দিয়েছে জেলা প্রশাসনের ত্রান ও পুনর্বাসন শাখা। শাখার অফিস সহকারী মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, শীত মৌসুম শুরুর পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১ম দফায় বরাদ্দকৃত ২০ হাজার পিস কম্বল ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে উপজেলা পর্যায়ে বন্টন করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের জন্য ৫০০ টি কম্বল সংরক্ষিত রয়েছে। শাখাসূত্রে জানাগেছে, অক্টোবর মাসে ১ম দফায় বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নের জন্য ২ হাজার ৮৮১ টি, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ই্উনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ২ হাজার ৮৭০ টি, বানারীপাড়া উপজেলার ৮টি ই্উনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ১ হাজার ২০০ টি, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ১৩ ই্উনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ২ হাজার ৪৩৫ টি, হিজলা উপজেলায় ৬টি ই্উনিয়নের জন্য ২ হাজার ১৩৪ টি, মুলাদী উপজেলার ৭টি ই্উনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ১ হাজার ৪৯০ টি, বাবুগঞ্জ উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নের জন্য ১ হাজার ২৮৬ টি, উজিরপুর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ১ হাজার ৬৭২ টি, গৌরনদী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য ১ হাজার ৯৮৩ টি, আগৈলঝাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের জন্য ১ হাজার ৫৪৯ টি কম্বল নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবদুল লতিফ জানান, মুলত জেলা প্রশাসনের ত্রান ও পুনর্বাসন শাখা শীত মৌসুমে তিন বা এর অধিক ধাপে দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণের বরাদ্দ পায়। শীত মৌসুমে ষাটোর্ধ বয়স্ক গরীব ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য এই কম্বল বরাদ্দ হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রথম দফায় ২০ হাজার কম্বল এসেছে, যা ১০ টি উপজেলার মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়েছে। সময় বুঝে এগুলো গরীব ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করবেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।