সকলের সহযোগিতায় বেঁচে থাকতে চায় ক্যানসারে আক্রান্ত সজীব

মোঃ রবিউল করিম মোঃ রবিউল করিম

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০১৮ | আপডেট: ৪:৩৯:অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০১৮

পরিবার পরিজন নিয়ে ভালোই ছিলো সজীব মিয়ার সংসার।তার হাঁসি-খুশি পরিবারে ছিলো বাবা ও স্রী সন্তান।তবে হঠাৎ  নেমে আসে পরিবারে অসুস্থতার কাছো ছাযা ধরা পরে সজীব মিয়ার(২৫)শরিরে ক্যানসার।এখন শুধু বেঁচে থাকার আকুলতা নিয়ে ছটফট করছেন প্রতিনিয়ত।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কোষাদিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সজীব মিয়া।স্রী সন্তান আর বাবাকে নিয়ে সুখেই কাটছিলো তার সংসার জীবন।কিন্তু সেই সুখ বেশি দিন সইল না তার কপালে।২০১৭ সালে তার শরীরে ধরা পরে ক্যানসার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন তিন।চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পৈতৃকসম্পত্তির সবটুকু বিক্রি করে দিতে হয়েছে সজীব মিয়াকে।সর্বস্বান্ত হয়ে বাবা স্রী ও দুই বছর বয়সী একমাএ সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন উপজেলার সাতখামাইর এলাকার খাসজমিতে।এখানে ছোট একটি দোকানে চা বিক্রি করেন সজীবের বাবা নজরুল ইসলাম।যে কয় টাকা চা বিক্রি করে পান তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খেতে হয়। তার মাঝে সামান্য ঔষধ কিনে খাওযানো হয় সজীব মিয়াকে।

সজীবের স্বজনেরা জানান,অসুস্থ হওয়ার আগে সজীব ভালোই কাজ করতো কিন্তু হঠৎ একবছর খানেক আগে তার শরিরে ক্যানসার ধরা পরে।তখন সজীব যায়যায় সময়কে বলে,আমি বাঁচতে চাই।আমাকে বাঁচার সুযোগ করেদেন।আমি মরে গেলে আমার সন্তানকে কে দেখবে।
সজীবের বাবা নজরুল ইসলাম বলেন,মহাখালীর ক্যানসার হাসপাতালের ডাক্তার বলেছেন ১২টি কেমোথেরাপি দিতে হবে।কিন্তু তাতে করে প্রায় ১০লক্ষ্য টাকা প্রয়োজনে।তাই তিনি সকলের কাছে সহযোগীতা কামনা করছেন।যাতে করে তার ছেলে সজীব মিয়াকে সু-চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলতে পারেন।