চৌগাছায় রাস্তা নির্মানে নিম্ন মানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ, দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না সড়ক।

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০১৮ | আপডেট: ৭:১৫:অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০১৮
চৌগাছায় রাস্তা নির্মানে নিম্ন মানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ, দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না সড়ক।

ক্রাইম রিপোর্টার:

যশোরের চোগাছা উপজেলার চুরাহুদা থেকে মাকাপুর পর্যন্ত ৪’১৮ কিলো রাস্তা তৈরি হচ্ছে নিম্ন মানের ইট, বালু, বিটুমিন, খোয়া দিয়ে। অভিযোগ আছে, যে মানের সড়ক তৈরির  কথা তা মানা হচ্ছে  না।একটি রাস্তার  মাধ্যমে নিশ্চিত হয় পণ্য কিংবা মানুষের চলাচল। কিন্তু সড়ক নির্মাণ এবং তার স্থায়ীত্ব নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই।
সড়ক নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে খোয়া। প্রভাবশালিদের হস্তক্ষেপে গ্রেড ১ ইটের স্থলে নিম্নমানের ইট দিয়ে তৈরি হয় এই খোয়া।এই খোয়া দিয়েই তৈরি হচ্ছে এই রাস্তাটি।

এতে রাস্তার স্থায়ীত্ব কমে যায়, একইভাবে সড়ক নির্মাণে গ্রেড ১ ইট বাদ্ধ্যতামূলক থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই গ্রেড ২ এবং গ্রেড ৩ মানের ইট ব্যবহার করা হয়। টেন্ডারের শর্ত অনুসারে উন্নত বালি ব্যবহার করার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের বালি, যা কমিয়ে দেয় রাস্তার স্থায়ীত্ব।

সড়কে ৬০-৭০ গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৮০-১০০ মানের বিটুমিন।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,পুড়া মবিল দিয়ে রাস্তার কাজ করাছেন চৌগাছার ইন্জিনিয়ার অফিসের কর্মকর্তার উপস্তিতে চলছে এই কাজ।যে মবিল রাস্তায় ফেলেছে তা নিমিশেয় গাড়ির চাকার সাথে উঠে যাচ্ছে।কিন্তু এই রাস্তার ক্ষেতে কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না।রাস্তা পিচ করার আগে হালকা করে কেরাসিন ও বিটুমিন দেওয়ার নিয়ম।

সেটা না মেনে হালকা বিটুমিন আর মবিল দিয়ে চার কিলো রাস্তা ভিজিয়ে রেখেছে,যা কিনা হালকা পানিতে সারা রাস্তা মিশে চলাচলের অনউপযোগি তৈরি হয়েছে। চুটাহুদা গ্রামের মৃত বারিক বিশ্বাসের ছেলে ফজলু বিশ্বাস (৬০)বলেন,এই রাস্তাটি খুবই নিম্ন মানের সামগ্রি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে যার কারণে রাস্তাটি বেশি দিন টিকবে না। রাস্তা যখন তৈরি হচ্ছে তখনই এর গুণগতমানের জন্য যে উপাদান গুলো ব্যবহার হচ্ছে সিডিউল যেভাবে দেওয়া ছিল সেইভাবে তৈরি হচ্ছে কিনা তা সেটা দেখার যাদের দায়িত্ব তারাই টাকার বিনিময়ে ভাল একটা রিপোর্ট দিয়ে দেয়।এর ফলে সরকারের দুর্নাম হচ্ছে। আর লাভ বান হচ্ছেন ঠিকাদাররা।

শুধু উপকরনেই নয় সব ক্ষেত্রেই হয় অনিয়ম। সড়ক নির্মাণ কাজ শুরুর আগে রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজেও দুর্নীতি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাটি কম ফেলে নেওয়া হচ্ছে ভরাট করার বিল। নানা অজুহাতে বাড়ানো হয় প্রকল্পের সময়। এই সকল অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলার জন্য চৌগাছা ইন্জিনিযার অফিসের কারোর পাওয়া যায় নি।