শান্তি চুক্তির আগে ও পরে :পাকৃতিক শোভায় সুশোভিত পার্বত্য চট্রগ্রাম

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৩৯:অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০১৮
শান্তি চুক্তির আগে ও পরে :পাকৃতিক শোভায় সুশোভিত পার্বত্য চট্রগ্রাম

মো. ফরিদ উদ্দিন ,সাংবাদিক, কলাম লেখক

পার্বত্য চট্রগ্রামের জন-সাধারনের জীবন মান খুবই নি¤œমানের ছিল শান্তি চুক্তির পুর্বে।এখানে ছিল হানা-হানি কাটা কাটি ,মারা –মারি, হত্যা, খুন, রাহাজানি, রাজপথে আর পাহাড়ের প্রাদদেশে, নদী ঘাটে, ঝিরি ব্াঁকে, রাতের আধারে শত শত নিরহ বাঙ্গালী জীবন দিতে হয়েছে অকারনে। তেমনি পাহাড়ি সম্প্রদায়ের লোকজনরা সে হত্যা থেকে রেহাই পায়নি। রাজনৈতিক পায়দা লুটের জন্য নিরহ মানুষের রক্ত পিপাসুরা আজ মাথা নাড়া দিয়ে ওঠে এই জনপদে।

আজ পার্বত্য চট্রগ্রাম নিয়ে যেসকল কল্প-গল্প কাহিনী ও বাস্তরতা নিয়ে সম-সাময়িক লেখক ও ইতিহাস বিদদের মতে শিক্ষা-দীক্ষায় সমতল থেকে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে পার্বত্য চট্রগ্রাম। এখানে রয়েছে জিব বৈচিত্র্যময় পরিরেশ, শত রকমের পাখ পাখালির আনা-গোনা, তেমনি রয়েছে ভাষাগত পৃথকময় নিজস্ব সাংস্কৃতি বিচিত্র কারুকার্য।

পার্বত্য চট্রগ্রামের মানুষের চেহারায় যেমন রয়েছে আলাদা গঠন ,তেমনি বিদমান রযেছে ভাষাগত আলাদা চিন্তা চেতনা। খুব একটা সহজে অনুমান করা কঠিন যদি কাছ থেকে জানা না যায়। এখানের নারী-পুরুষের চাল চলন ভিন্ন। অতিথি আপায়ণে রয়েছে নতুন এ আকর্ষন।
এক সময় পাহাড়ের নাম শুনলে পাশ্ববর্তী জেলার মানুষ ভয় পেত,আর পাহাড়ে বসতিরা রাত ঘুমতে গিয়েই বলত আজ হয়তো শেষ রাত ,সন্ত্রাসীদের চোরা গুপ্ত হত্যায় আজ আমার পালা। তেমনি চাকুরী জীবীরা বদলী হলে, কলে-কৌশলে ও অর্থ ব্যয় করে বদলী সমতলে হলে প্রাণ বেচে যেত।

আজ দিন বদলের পলা।সোর্ন্দযলীলা ভুমি পার্বত্য চট্রগ্রামের শিক্ষা,স্বাস্থ্য, শিল্পায়ন, রাবারও কৃষি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ,পর্যটন খাত রয়েছে বিপুল অর্খ আয়ের এক নতুন সূর্য় হাসি। আর এ জন্য সাফল্য এ দিয়েছেন জাতীর জনক বঙ্গ বন্ধুর কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা।

পার্বত্য চট্রগ্রাম তিন জেলা নিয়ে গঠিত। তিন জেলার নামকরন নিয়ে একটু বিশ্লেষন করতে পারি পাঠকের জন্য। বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি প্রবাদ রয়েছে।স্থানীয়দের প্রচলিত রূপকথা আলোকে মুখে মুখে রয়েছে এ গল্প।যদির ইতিহাসে রয়েছে ভিন্ন মত। যা হউক স্থানীয়কে প্রধান্য দিয়ে বলতে হয়।

বান্দবান এলাকায় একসময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশমুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবন খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃ্দ্িধ পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পাড় হয়।বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া নামে। অর্থাৎ মারমা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছি অর্থ বাঁধ। কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে। বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রুপ লাভ করেছে।

খাগড়াছডি জেলার নাম করন করা হযেছে সেখানের একটি নদীর নাম অনুসারে। রাঙামাটি জেলা নামকরণ সম্পর্কে বিলু কবীরের লেখা ‘বাংলাদেশ জেলা : নামকরণের ইতিহাস’ বই থেকে জানা যায় তা হলো- এই এলাকায় পর্বতরাজি গঠিত হয়েছিল টারশিয়রি যুগে। এই যুগের মাটির প্রধান ব্যতিক্রম এবং বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর রং লালচে বা রাঙা। এই এলাকার গিরিমৃত্তিকা লাল এবং মাটিও রাঙা বলেই এই জনপদের নাম হয়েছে রাঙামাটি।

প্রকৃতি সূচক এই নামকরণটির বিষয়ে অন্য প্রচলিত কথাপরম্পরা হলো- বর্তমান রাঙামাটি জেলা সদরের পূর্বদিকে একটি ছড়া ছিল, যা এখন হ্রদের মধ্যে নিমজ্জিত। এই হ্রদের স্বচ্ছ পানি যখন লাল বা রাঙামাটির উপর দিয়ে ঢাল বেয়ে প্রপাত ঘটাতো, তখন তাকে লাল দেখাতো। তাই এই ছড়ার নাম হয়েছিল ‘রাঙামাটি’। এই জেলা সদরের পশ্চিমে আরও একটি ছাড়া ছিল। অনুরূপ কারণে তার নাম দেয়া হয়েছিল ‘রাঙাপানি’। এই দুই রাঙা ছড়ার মোহনার বাঁকেই গড়ে উঠেছে বর্তমান জেলা শহর। যা মূলত ছিল অনাবাদী টিলার সমষ্টি এবং বহু উপত্যকার এক নয়নাভিরাম বিস্ময়ভূমি। এই দুটি ছড়া রাঙামাটি ও রাঙাপানি হতে ‘রাঙামাটি’ জেলার নামকরণ হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ১৯৮৩ সালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা গঠন করা হয়।

অবকাঠমোগত ভাবে উন্নয়নের জন্য রয়েছে আলাদা ভাবে মন্ত্রনালয়।তিনটি জেলার জন্য জেলা পরিষদ আরএকটি আঞ্চলিক পরিষদ। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রধান হলেন চেয়ারম্যান যিনি সরকার কর্তৃক মনোনীত। ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন সরকার কর্তৃক প্রেষণে নিয়োগকৃত যুগ্মসচিব পদমর্যাদর একজন কর্মকর্তা। আর চারজন সার্বক্ষণিক সদস্যের (সদস্য প্রশাসন, সদস্য-পরিকল্পনা, সদস্য-অর্থ এবং সদস্য-বাস্তবায়ন)। প্রত্যেকে সদস্য উপ-সচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তা।১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ( বর্তমান রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) অঞ্চলে প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বৃটিশ ও পাকিস্তান শাসনামলে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থ’া পরিবর্তনের জন্য তেমন কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলশ্রুতিতে দেশের অন্যান্য অঞ্চল অপেক্ষা এ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ থেকে যায়।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে বিভিন্নমুখী ও বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচী গ্রহণে মাধ্যমে এ অঞ্চল ধাপে ধাপে উন্নয়নের গতিধারায় যুক্ত হতে শুরু করে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই সর্বপ্রথম রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে এ অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করেন। এ অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষির উন্নয়নসহ সরকারীর চাকুরী ও স্থানীয় চাকুরীতে পার্বত্যবাসীদের যৌক্তিক অংশগ্রহণ প্রভৃতি বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রেক্ষিতে সরকার পার্বত্য অঞ্চলে “আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা” এ ধারণার আলোকে ১৯৭৬ সালে ৭৭ নং অধ্যাদেশ বলে ,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বোর্ড এ অঞ্চলে কৃষি, শিক্ষা, যাতায়াত, অবকাঠামো নির্মাণ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত থেকে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নের ধারাকে আরো গতিশীল করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে। তন্মধ্যে সমন্বি^ত পাহাড়ী খামার উন্নয়ন প্রকল্প, কর্মসংস্থান এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প, কমলা ও মিশ্র ফসল চাষ প্রকল্প, রাবার ও উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্প এবং সমন্বি^ত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ অন্যতম।

বর্তমানে পার্বত্যাঞ্চলের জনগণের জীবনমান আগের তুলনায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। শিক্ষা,স্বাস্থ্য এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নের ফলে দারিদ্র্র যেমন নিরসন হচ্ছে তেমনি জনগণের আয় এবং জীবনযাত্রার মান ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনসাধারণের সার্বিক উন্নয়ন তথা কৃষি, যাতায়াত, শিক্ষা, ক্রীড়া-সংস্কৃতি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, সমাজ কল্যাণ, বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ ও কারিগরী দক্ষতা উন্নয়নসহ আয়বর্ধনমূলক খাতে নিষ্ঠার সাথে বহুমূখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে।ছাড়াও বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নকল্পে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আইসিটি ভিত্তিক কর্মসূচী হাতে নেয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাসরত বেকার জনগোষ্ঠীকে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের উপরে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবলে রূপান্তর করে আত্ম-কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি করাই এর মূল লক্ষ্য।দশম জাতীয় সংসদের ২য় অধিবেশনের ১৯৭৬ সালে ৭৭ নং অধ্যাদেশ বাতিল করে তদস্থলে গত ০২/০৭/২০১৪ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আইন,২০১৪ পাস হয়েছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ০৮/০৭/২০১৪ তারিখে উক্ত বিলটিতে তাঁর সদয় সম্মতিদান করেছেন এবং ঐ তারিখেই বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ২০১৪ সনের ৮নং আইনরূপে প্রকাশিত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নে নিম্নরূপ কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে,পার্বত্য জেলার জনসংখ্যা, আয়তন ও অনগ্রসরতা বিবেচনাপূর্বক পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প ও স্কিম প্রণয়ন,পার্বত্য জেলাসমূহের উপজেলা সদর, ইউনিয়ন ও গ্রামসমূহে অনধিক ২ (দুই) কোটি টাকার প্রকল্প ও স্কিম অনুমোদন;অনুমোদিত প্রকল্প,স্কিমসমূহ বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রম তদারকি;বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার আর্থিক বা কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্প ও স্কিম বাস্তবায়ন;উপরিউক্ত কার্যাবলী সম্পাদনের নিমিত্ত প্রকল্প,সংশি¬ষ্ট প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্য সম্পাদন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বোর্ড উপরিউক্ত দায়িত্ব পালন করবে মর্মে বিধান করা হয়েছে।সাংগঠনিক কাঠামো ও জনবল: চেয়ারম্যান ভাইস-চেয়ারম্যান (অন্যূন যুগ্মসচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন);পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কর্তৃক মনোনীত এর একজন প্রতিনিধি জেলা প্রশাসক, রাংগামাটি (পদাধিকারবলে) জেলা প্রশাসক, খাগড়াছড়ি (পদাধিকারবলে);জেলা প্রশাসক, বান্দরবান (পদাধিকারবলে);পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে মনোনীত অন্যান উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক মনোনীত সংশি¬ষ্ট প্রতিষ্ঠানের একজন করে প্রতিনিধি; সদস্য প্রশাসন (অন্যান উপসচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন বোর্ডের সার্বক্ষণিক সদস্য)সদস্যবাস্তবায়ন(অন্যূনউপসচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন বোর্ডের সার্বক্ষণিক সদস্য) সদস্য অর্থ (অন্যূন উপসচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন বোর্ডের সার্বক্ষণিক সদস্য)সদস্য পরিকল্পনা (অন্যূন উপসচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন বোর্ডের সার্বক্ষণিক সদস্য)পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চলমান কাঠামো:পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রধান হলেন চেয়ারম্যান যিনি সরকার কর্তৃক মনোনীত। ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন সরকার কর্তৃক প্রেষণে নিয়োগকৃত যুগ্মসচিব পদমর্যাদর একজন কর্মকর্তা। আর চারজন সার্বক্ষণিক সদস্যের (সদস্য প্রশাসন, সদস্য-পরিকল্পনা, সদস্য-অর্থ এবং সদস্য-বাস্তবায়ন)।প্রত্যেকে সদস্য উপ-সচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন কর্মকর্তা।

উন্নয়নের ধারায় আজ পার্বত্য চট্রগ্রামে মেডিকেল কলেজ বিজ্ঞান প্রসুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয় স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান প্রতিষ্টিত হয়েছে।আর প্রান্তিক জন গোষ্টির জন্য স্বাস্থ্যসেবা পুষ্টিসহ বিভিন্ন সেবা দেয়া হচেছ। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা সহ প্রাং ৪৫ লাখ সোলার স্থাপন করেছেন।চাকুরীতে পার্বত্য বাসীদের কে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। পার্বত্য চট্রগ্রামে বেকার যুবকদের জন্য তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষন ও দেয়া হয়েছে।

এ এলাকার ছেলে মেয়েরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,সেনাঅফিসার, পুলিশ অফিসার, সাংবাদিক লেখক,কবি সাহিত্যিক, নাট্যকার, গীতিকার,ব্যাংক কর্মকর্তা,মন্ত্রী,প্রতিম›ত্রীসহ অসংখ্য রাজনৈতিক ব্যাক্তি সৃষ্টি হয়েছে। পাশা পাশি মেধাবী জনশক্তি সৃষ্টি হয়েছে,শান্তি চুক্তির পরে।

তবে বাংগালী সম্প্রদায়ের লোজজন শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে এ বিষয়টি বর্তমান সরকারের নজর রাখার জন্য সচেতন ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দৃষ্টি আর্কষন করেছেন।
পাকৃতিক শোভায় সুশোভিত আজ এ পার্বত্য চট্রগ্রাম। পার্বত্য চট্রগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের জন -গোষ্টিকে এক হয়ে দেশ প্রেম জাগ্রজ করে দেশের প্রতি ভালবাসার মনোভাব বৃদ্ধি করতে হবে । আর বিপথ গ্রস্ত বাকা পথ পরিহার করে সু- শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সম্প্রতি বজায় রাখতে হবে। জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা ,পার্বত্য চট্রগ্রামসহ সারাদেশে যে, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু করেছেন তা বাস্তয়ন করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। গ্রাম থেকে গ্রামান্তর ও জেলার আনাচে-কানাচে উন্নয়নের মহাসড়কের সবাইকে এক সাথে নিয়ে আসার যে, চেষ্টা চারিয়ে যাচেছন। তা আমরা সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে তাকে।