তালায় স্ত্রীর মর্যাদা,ভরণপোষনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮ | আপডেট: ৭:৫৩:অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮

তালা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার তালায় স্বামীর কাছে স্ত্রীর মর্যাদা,ভরণপোষনের দাবি জানিয়েছেন অসহায় এক গৃহবধূ। বুধবার বিকালে তালা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান, তালা উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের আহম্মদ বিশ্বাসের কন্যা নাছরিন সুলতানা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাছরিন সুলতানা বলেন,বিগত ৫মার্চ ১৫ ইং একই গ্রামের লুৎফর শেখের ছেলে তালা বাজারের বাংলাদেশ বেকারির মালিক ছাত্তার শেখ (৩৭), এর সহিত ইসলামি শরিয়াত মোতাবেক তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহ হয়। বিবাহের অল্প দিনের মধ্যে জানতে পারি তার আরও একজন স্ত্রী, একজন পুত্র ও দুইজন কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের ছয় মাসের মধ্যে আমার বাপের বাড়ি থেকে ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য দুই লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টিসহ মানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। আমার পিতা একজন অসহায় দরিদ্র কৃষক হওয়ায় অনেক কষ্টে ধারদেনা করে তার যৌতুক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে এক লাখ টাকা দেয়। এরপরও যৌতুক লোভী স্বামী আরও টাকা পাওয়ার জন্য প্রায় প্রতিদিন আমার সঙ্গে খারাপ আচারন, মারধরসহ অত্যাচার করতে থাকে। যৌতুকের টাকা না পাওয়ায় একপর্যায়ে আমার সঙ্গে সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

আমি আমার অধিকার ফিরে পেতে খুলনা জজ কোর্টে মামলা করি কিন্তু অর্থ ও লোকবলের অভাবে মামলাগুলি তদারকি করতে না পারার সুযোগে আমার স্বামী অর্থের বলে আমার উকিল ও পেশকারকে ম্যানেজ করে মামলাগুলি দূর্বল করে ফেলেছে। এছাড়া সে আমাকে গ্রহন করা বা আলোচনার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ, আমার জীবন-যাপন, ভরন-পোষন ও সমাজে আমার সম্মান-মর্যাদা নষ্টসহ বিভিষিকাময় দুর্বিসহ নিশ্চিত অন্ধকার জীবনের পথে জোর করে ঠেলে দেওয়ার ক্ষতিপূরণ দেওয়াতো দুরের কথা আমাকে মেরে ফেলা ও গুম করার ভয়সহ প্রকাশ্য আমাকে অন্য পুরুষদের দ্বারা তুলে নিয়ে সরাসরি সম্ভ্রম নষ্টের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। এমতাবস্খায় আমি আমার সম্ভ্রম নষ্টসহ খুন, গুমের আশঙ্কায় আছি প্রতিনিয়ত।
বর্তমান সরকার সকল ক্ষেত্রে নারীদের সম্মান-মর্যাদাসহ সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। নাসরিন সুলতানা সম্মেলনের মাধ্যমে তার উপর যে অন্যায়, জুলুম, হয়রানিসহ নির্যাতনের স্টীমরোলার চলছে তার সুবিচার ও ক্ষতি পূরণ পাবার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপের কামনা করেছেন।