হেমানজিওমা রোগ পিছু ছাড়ছে না কিশোরী মুক্তামনির !

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:৪১ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৪১:অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮
মোঃ কামরান হাসান :

দুই দফা অপারেশন করেও সুস্থ হচ্ছে না সাতক্ষীরার সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের মুদি দোকানি ইব্রাহীম হোসেনের কিশোরী মেয়ে মুক্তামনি।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মুক্তার হাতের জমাট বাঁধা রক্ত ড্রেসিং করার সময় আঙুল দিয়ে একে একে বেরিয়ে আসে ৩৮টি বড় পোকা। পোকা দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তার পরিবার।
মুক্তার বাবা ইব্রাহিম জানান, মুক্তার হাতের অবস্থা খারাপ দেখে ডা. সামন্ত লাল সেনের ফোনে যোগাযোগ করি সে সময় তিনি মুক্তার হাতের ছবি পাঠানোর কথা বলেন, ডাক্তার শারমিন সুমির ইমোতে ছবি পাঠানোর পর তারা ছবি দেখে জানান মুক্তার হাতের অবস্থা খারাপ।
ইব্রাহিম হোসেন আরও জানান, হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়ার সময় যে ব্যান্ডেজ করে দেয়া হয়েছে সেটি খোলা যায় এবং ডাক্তাররা সেটি খুলে মাঝে মাঝে পরিষ্কার করে দিতে বলেছিলেন। তবে ব্যান্ডেজ যখনই খুলে পরিষ্কার করি তখন হাতটি ফুলে গিয়ে মোটা হয়ে যায়। এখন গন্ধ বেড়েছে এবং প্রতিনিয়ত রক্ত পড়ছে, পুরো হাতটি পচে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ডাক্তাররা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে মুক্তার জন্য তাদের যে আন্তরিকতার কমতি ছিল না, তা আমি নিজে দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী নিজে মুক্তার ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন, মুক্তা ভালো হলে নিয়ে যেতাম প্রধানমন্ত্রীকে দেখাতে। কিন্তু সে তো আর ভালো হবে না, সেটা তার হাত দেখেই বোঝা যাচ্ছে কারণ দুই দফায় অপারেশনে হাতটি থেকে যা কিছু অপসারণ করা হয়েছে তা ইতোমধ্যে পূরণ হয়ে গেছে, আমরা তার আশা ছেড়ে দিয়েছি।
গত বছর ১২ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করার পর দুই বার অপারেশন করে ২২ ডিসেম্বর রিলিজ দেয় মুক্তামনির চিকিৎসক, সে থেকেই মুক্তামনি তার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছে।