বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন ? শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি

প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৭ | আপডেট: ১:২০:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৭
বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন ? শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবাধিকার সংগঠনগুলির ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, যখন মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গারা নির্যাতিত হয়ে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রায় নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রায় দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশাংসা কুড়িয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি মাদার অব হিউমিনিটি অখ্যায়িত হয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো চুপ কেন ? তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সামাজিক আন্দোলন করতে পারে। এটাও মানবাধিকারের আওতায় পরে। শনিবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বরিশাল আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনকালে মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে উদ্দেশ্যে করে এ কথাগুলো বলেন শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি।
মানবাধিকার কমিশনের ঝালকাঠি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক আবু সাইদ খানের সঞ্চালনায় ও সভাপতি এড. লিয়াকত আলী খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডঃ সাইফুর ইসলাম দিলদার, জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের কর্ণধার ডাঃ আনোয়ার হোসেন, বরিশাল জেলা মানবাধিকারের সভাপতি মাহামুদুল হক খান মামুন প্রমুখ। পরে অতিথিদের মাঝে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
পরে দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে কৃষকদের মাঝে বিণামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন মন্ত্রী আম্ ুতিনি বলেন, অন্যান্য সরকারের আমলে বাংলাদেশ কখনও খাদ্যে উদ্ধৃত্ত হতে পারে নি। স্বয়নংসম্পূনাও অর্জন করতে পারেনি। বএনপি জোট সরকারের আমলে সারের দাবিতে কৃষকদের উপর গুলি চালানো হয়েছিল। কিন্তুু আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন সারের দাবি জানাতে হয় না তার আগেই কৃষকরা সার পেয়ে যায়। এমনকি ২০১৪ সালের নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য যেভাবে সাড়া দেশে তান্ডবলীলা চালানো হয়েছিল, পেট্রোল বোমা মেরে গণহত্যা চালানো হয়েছিল, সাড়া দেশে গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল তখনও কৃষকরা সময়মত সাড় পেয়েছে। এর আগে ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা জখন ক্ষমতায় ছিল তখন স্মরণ কালের ভয়াভয় বণ্যা হয়েছিল যেটা তিন মাস স্থায়ী ছিল, তখন সাড়া দুনিয়া বলেছিল দুইকোটি লোক না খেয়ে মারা যাবে। কিন্তু শেখ হাসিনার দৃঢ়তা একটি লোকও না খেয়ে মারা যায়নি। তখনও কৃষকরা সময় মত সার ঔষধ পেয়েছে। শনিবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে কৃষকদের মাঝে বিণামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুলতান হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ আবু বক্কর সিদ্দিকি। সদর উপজেলার ৬৮৪ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
এর আগে ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যায়ে নির্মিত ঝালকাঠির আকলিমা মোয়াজ্জেম মহা বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। বিকেল ৩ টায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শিল্পমন্ত্রী আমু।