১৩ বছর প্রেম, বহুবার মিলন; যাচাই করে বিয়ে করুন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:২৪ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০১৮ | আপডেট: ১২:২৪:অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০১৮
১৩ বছর প্রেম, বহুবার মিলন; যাচাই করে বিয়ে করুন
বিয়ের ঠিক হয়ে গিয়েছিল। দুই বাড়িতেই শুরু হয়ে গিয়েছিল বিয়ের প্রস্তুতি। এমনসময় একটি লিফলেট পৌঁছল পাত্রপক্ষর বাড়িতে। আর তাতেই গণ্ডগোল। ভেঙে গেল বিয়ে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ তরুণী। সেই লিফলেট নিয়ে তরুণীর বাবা সটান হাজির থানায়। পুলিশকে গোটা ঘটনা জানিয়ে দায়ের করেছে অভিযোগও। এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘারে।তরুণীর বাড়ি দিঘা থানার দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামে। চলতি মাসেই অলঙ্কারপুরের এক তরুণের সঙ্গে তাঁর বিয়ের ঠিক হয়। তবে কয়েকদিন আগে ওই দুই গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়া হয় একটি লিফলেট। যার জেরে গত বুধবার পাত্রর বাড়ি থেকে ফোন করে তরুণীর বাড়িতে জানিয়ে দেওয়া হয়, তারা এই বিয়েতে রাজি নয়।

কী লেখা ছিল লিফলেটে ? লেখা ছিল, “আমি দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামের সীমা ঘোষের (নাম পরিবর্তিত) মেয়েকে ১৩ বছর ধরে ভালোবাসি। আমাদের সুখের মিলন বহুবার ঘটে। তাতে এক সন্তানও আসে। বাধ্য হয়ে আমরা সেই সন্তানকে নষ্ট করি। এরপর তার শরীর ভেঙে যায়। আমি আমাদের সুখের মিলনের ভিডিও করে রাখি। ঘটনাক্রমে ওর মা জেনে যায়। আমি তখন ফোনে সব কথা ওর মাকে জানাই। মা রেগে ওর সিম বাদ দেন। আমি ওর মাকে বলেছিলাম অন্য জায়গায় বিয়ে দিলে সেই ছবি নেটে ছাড়ব। আমার প্রেমিকা অন্য সিমে যোগাযোগ রাখে ও সম্পর্ক চালিয়ে যায়। এখন বাড়ির চাপে পড়েছে। ৭০-৮০ জন পাত্র তাকে দেখে বিদায় নেয়। এখন অলঙ্কারপুরের কোনও ছেলে তাকে পছন্দ করেছে। বিয়ে কার আগে তলিয়ে জানুন তারপরে দেরি হলেও সিদ্ধান্ত নেন। তার মা সব জেনে ধামা চাপা দিচ্ছে। যাচাই করুন।”

এই লিফটলেটটি প্রচারিত হওয়ার পর বিভিন্ন মন্তব্য ওই যুবতিকে লক্ষ্য করে আসতে থাকে। তাতেই ভেঙে পড়েন ওই যুবতি। লিফলেটে লেখা সব কথাই মিথ্যা বলে দাবি করে তরুণীর পরিবারের লোকজন। এরপর দিঘা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তরুণীর বাবা। ঘটনার পিছনে কে বা কারা জড়িত তার তদন্ত শুরু করেছে দিঘা থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আক্রোশের বশে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কেউ বা কারা।