বাবুগঞ্জ ড্রাগন চাষে সম্ভাবনার হাতছানি

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৭ | আপডেট: ৭:৪৪:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৭
বাবুগঞ্জ ড্রাগন চাষে সম্ভাবনার হাতছানি

কাওসার মাহমুদ মুন্না || বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর উৎপাদিত হচ্ছে ড্রাগন ফল। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকরাও এ ফল চাষে দিন দিন উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। পুষ্টিগুণে সহজে এ ফল চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব। এছাড়া রোগ- বালাই কম হওয়ায় এবং বাজারদর ভালো থাকায় ড্রাগন চাষে কৃষকদের উৎসাহ বাড়ছে বলে জানান সংশিষ্টরা। জানা যায়, থাইল্যান্ডে উৎপাদিত হয় জনপ্রিয় ফল ড্রাগন ফ্রুট। বিশেষ করে, ডায়াবেটিক ও উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সুষম ফল হিসেবে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তাছাড়া এ ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন-সি, মিনারেল এবং উচ্চ ফাইবার। হটিকালচারের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের উপ-পরিচালক স্বপন কোমার হালদার বলেন, ব্রাঞ্চ কেটে মাটিতে লাগালেই এ গাছ বাড়তে থাকে। প্রতিটি ব্রাঞ্চ বা চারা ৩০ টাকা করে বিক্রি হয়। বছরে দুই এক বার সার ব্যবস্থাপনা ছাড়া তেমন একটা পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। সাধারণত এপ্রিল থেকে নবেম্বর পর্যন্ত ড্রাগন ফল পাওয়া যায়। একটি গাছে প্রতি বছর ৩০-৫০টি পর্যন্ত ফল ধরে। ওজনে একটি ফল আধা কেজির ওপর হয়। তিনি আরও বলেন, বাড়ির আঙ্গিনা অথবা ছাদে ড্রাগন চাষ করে পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বানিজ্যিকভাবেও লাভবান হওয়া সম্ভব। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ড্রাগন ফলের বাজার মূল্য ভালো, প্রতি কেজি ড্রাগন ফল বাজারভেদে আটশ’ থেকে ১ হাজার টাকা বিক্রি হয় । তবে আমাদের এখানে প্রতি কেজি ড্রাগন ফল দুই’শ টাকা বিক্রি করি। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আযাদ বলেন, খাদ্যে সমৃদ্ধ দক্ষিণঞ্চলে ধান ও ডাল ফসলের পর্যাপ্ত উৎপাদন হলেও ফলের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে। তবে বাড়ি উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রজাতির দেশি ও বিদেশি ফল চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে কৃষক ও খামারিদের মাঝে বিদেশি এ ফলের চাষাবাদ ছড়িয়ে দিতে আরো প্রচার- প্রচারণা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশিষ্টরা। ফলে বিদেশি ফলের আমদানি নির্ভরতা কমবে বলেও মনে করেন তারা।