কৌশলে দীর্ঘ ১০ বছর পরে মা-বোনকে কুপিয়ে আহত করার প্রতিশোধ ফোরকান মাস্টার

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০১৮ | আপডেট: ১১:২৫:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০১৮
কৌশলে দীর্ঘ ১০ বছর পরে মা-বোনকে কুপিয়ে আহত করার প্রতিশোধ ফোরকান মাস্টার

বরিশাল অফিস : বরিশালের বাকেরগঞ্জের কৃষ্ণকাঠি এলাকায় মা ও বোনকে কুপিয়ে আহত করার ১০ বছর পরে কৌশলে প্রতিশোধ নিয়েছে আব্দুল মান্নান ওরফে ফোরকান মাস্টার। স্থানীয় সূত্র জানায় কৃষ্ণকাঠি এলাকার ফোরকান মাস্টার এর মা সাফিয়া বেগম ও বোন কহিনুর বেগমকে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন খান লিটন ওরফে ক্যরা লিটন ।

 

তখন ফোরকান মাস্টার মা ও বোনের রক্ত ছুয়ে প্রতিজ্ঞা করে যে কোন মূল্যে এই রক্তের বদলা তিনি নিবেন। এর পর থেকে কৌশলে সব কিছু ভুলে যাওয়ার ভান করে লিটন ওরফে ক্যারা লিটনকে তার কাছের মানুষ করে নিয়ে প্রধান হাতিয়ার বানিয়ে নেয় এই মাস্টার মশাই । লিটনকে দিয়ে একে এক তার সকল পথের কাটা সরিয়ে ফেলতে থাকে । আব্দুল মান্নান ওরফে ফোরকান মাস্টারএর সকল অপকর্মের প্রধান স্বাক্ষী থেকে যায় আওলাদ হোসেন খান লিটন ও তার বাহিনীর ক্যাডার মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খান । এবারে কৌশলে ফোরকান মাস্টার লিটন এর ক্যডার মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খানকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে কিনে নেয় লিটনকে দুনিয়া ছাড়া করে তার মা সাফিয়া বেগম ও বোন কহিনুর বেগমকে কুপিয়ে আঘাত করার বদলা নেয়ার । সুযোগও অনুকলে চলে আসে ফোরকান মাস্টার এর কারন তার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার হতে গিয়ে এলাকার নিরীহ মানুষকে নানা রকম নির্যাতন করতে থাকে ।

 

এছাড়া এলাকায় মাদক ও জুয়ার নিয়মিত আড্ডা বসিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ওঠে লিটন । কয়েকদিন আগে লিটন এর সাথে জুয়ার টাকার ভাগ নিয়ে তার ক্যাডার মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খানএর সাথে দ্বন্দের সৃষ্টি হয় । এই সুযোগে ফোরকান মাস্টার এদের সাথে হাত মিলিয়েঝোপ বুঝে কোপ মেরে আওলাদ হোসেন খান লিটনকে হত্যার পরিকল্পনা করে । ঠিক তখনই স্থানীয় মোঃ শহিদ খান ও তার পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করার পায়তারা চালায় আওলাদ হোসেন খান লিটন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী । এ ঘটনায় গত ১৭ এপ্রিল বরিশাল রিপোটার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন শহিদ খানসহ লিটনের নির্যাতনের শিকার হওয়া সাধারন মানুষ ।

 

এ সময় শহিদ খান লিখিত বক্তব্যে বলেন সন্ত্রাসীদের ভয়ে বর্তমানে পালাইয়া জীবন যাপন করছেন। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাই সন্তান এর ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করে গত ১৬ এপ্রিল বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে সন্ত্রাসী আওলাদ হোসেন খান লিটন, মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খান এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া লিটন এর কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে যখন স্থানীয় হুমায়ুন কবির স্বা-রাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে ও বরিশাল পুলিশ সুপার এর বরাবরে আবেদন করে । এবারে ফোরকান মাস্টার তার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে কারন এই সময়ে লিটনকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিলে ফোরকান মাস্টার এর কোন নামই আসবেনা যেই কথা সেই কাজ ১৭ এপ্রিল রাতে লিটন তার ক্যাডার মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খানকে নিয়ে জুয়া আড্ডায় রওয়ানা হয় পথিমধ্যে ফোরকান মাস্টার এর ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা লিটনকে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় এসময় দুলাল, মামুন ও মস্তফা এসময় লিটনকে উদ্ধার না করে দাড়িয়ে থাকে কিন্তু ঐ পথে লোকজন চলে আসায় ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা লিটনকে ফেলে পালিয়ে যায় । তখন ফোরকান মাস্টার এর পরিকল্পনামত লিটনের ক্যাডার মোঃ দুলাল, মামুন হাওলাদার ও মস্তফা খান চিৎকার দিয়ে বলতে থাকে আল আমিন ,মাসুম,শহীদ,হুমায়ুন কবির ,ইউসুফ আলী ,চান খান ও স্বাধীন লিটনকে কুপিয়েছে ।এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে নিজেদের ফায়েদা হাসিল করতে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে জুয়ারি আওলাদ হোসেন খান লিটন এর মা আমেনা বেগম বাকেরগঞ্জ থানায় মিথ্যা মামলা করে এলাকার নিরিহ লোকদের হয়রানি করছে।