বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়ায়,দশমিনায় আওয়ামী পেষাজীবি লীগের আলোচনা সভা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৪৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৪৫:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০১৮
বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়ায়,দশমিনায় আওয়ামী পেষাজীবি লীগের আলোচনা সভা

ফয়েজ আহমেদ,দশমিনা প্রতিনিধি ॥
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নে আওয়ামী পেষাজীবি লীগ বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্দ্যেগে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অত্র ইউনিয়নের গছানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গতকাল বিকেল ৪ ঘটিকায় বাংলাদেশ আওয়ামীলী পেশাজীবি লীগ বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক মোঃ হুমায়ুন কবির মন্টুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন,দশমিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী মোঃ আমির হোসেন। বিশেষ অতিথিরা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহসভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি,ফ্লোরিডা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক,দশমিনা বেগম আরেফাতুননেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্্িরস আহমেদ মিয়া, সাবেক ছাত্র নেতা,দশমিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ১১৩ পটুয়াখালী-৩ সংসদীয় আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাসী এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন,পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য,সাবেক ছাত্রনেতা,সাবেক প্রচার সম্পাদক উপজেলা আওয়ামীলীগ,দশমিনা মোঃ জাকির হোসেন ভুট্টো, এ্যাডভোকেট মোঃ সেলিম, এ্যাডভোকেট মোঃ মনির হোসেন,এ্যাডভোকেট কাজী জুয়েল,আবদুস ছালাম মাস্টার,মোঃ আরিফ হাওলাদার,মোঃ মোশাররফ হোসেন মুন্না,হীরন শরিফ,মোঃ মিন্টু খান,মোঃ রেজাউল করিম,মোঃ সরোয়ার হোসেন খান,মুন্সি বাহাদুর আলম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

 

সভায় আলহাজ্ব ইদ্্িরস আহমেদ মিয়া বলেন,দশমিনায় এমপি সাহেব হাইব্রীডদের সুযোগ দিতে গিয়ে , দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা আজ উপেক্ষিত।বিগত দিনে যদি কোন ভুল করে থাকেন,তা করেছেন সাবেক সাংসদ গোলাম মাওলা রনি। আমাদের অপরাধ ছিল কি ? যে আমাদেরকে এতটা তুচ্ছ তাছিল্ল করতে হলো ? আপনি খ,ম জাহাঙ্গীর যখন নিজের ভুলে মনোনয়ন থেকে ছিটকে পরলেন,তখন এই আমরাই আপনার চেয়ে অনেক অনেক ভোটের ব্যাবধানে রাজনীতিতে একজন নন কোয়ালীফাই লোককে বিজয়ী করে এনেছিলাম। সে দিন আপনি সুযোগ সন্ধানী হয়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে যেমন বিশ্বাস ঘাতকতা করেছেন,আজ আবার দশমিনা-গলাচিপার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছেন। কিন্তু,সে সুযোগ দশমিনা গলাচিপার মানুষ আর দেবেনা। এখন আমরা আমাদের সুখ দঃখ বোঝার মত কর্মীবান্ধব নেতা পেয়েছি। তাই জনগন জেগে উঠেছে,কারন তাহারা মনে করেন এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটনই যোগ্য প্রার্থী । মনোনয়ন প্রত্যাসী এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন বলেন, বঙ্গ বন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখনই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে,তখনই দেশের উন্নয় হয়।

 

মানুষ শান্তিতে থাকে। আর অন্যান্য দল ক্ষতায় আসলেই দেশে লুট-পাট,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ এবং জঙ্গীবাদের মত সন্ত্রাসী দলের ব্যাপক আর্বিভাব ঘটে। যা দেশের শুধু শান্তি শৃংখলাকেই বিগ্নিত করে না,দেশে উন্নয়নের ধারাকেও ব্যাহত করে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইসতিহারে অঙ্গীকার গুলোর মধ্যে অণ্যতম অঙ্গীকার ছিল,দশ টাকা দরে আপনাদেরকে চাল খাওয়াবেন। আজ আপনারা তা পাচ্ছেন। বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে সর্বাধিক স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশা-পাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোরও অভুতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এই আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুরাবস্থার কথা চিন্তা করেই অগ্রাধীকারের ভিত্তিতে পদ্মা সেতু যা একদিন আমরা স্বপ্নেও কল্পনা করিনাই। রাজধানী ঢাকার সাথে আপনাদের যোগাযোগ ব্যাবস্থার সুবিধার লক্ষ্যে শিকারপুর-দোয়ারিকা, বরিশাল ব্রীজ,লেবুখালী ব্রিজ,শেখ হাসিনা সেনা নিবাস,পটুয়াখালী ব্রীজ,কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত হাইওয়ে মহাসড়ক,পায়রা সমুদ্র বন্দর,দশমিনার বীজ বর্ধন খামারসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন আমাদের এই পটুয়াখালীবাসীর জন্য। উপক’লীয় এলাকায় অত্যাধুনিক স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নির্মানের মধ্য দিয়ে চলছে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। উন্নতি হয়েছে,রাস্তা-ঘাট,ব্রিজ-কালবার্ট। এখন আর ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জেলায় যেতে এক ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা রাস্তায় চলতে হয়না। তাই,বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সর্বদা বদ্ধ পরিকর। যে কারনে আজ সেই সোনার বাংলা,ডিজিটাল বাংলায় পরিনত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষনা করেছেন “ ভিষন ২০২১” অর্থাৎ দুই হাজার একুশ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ তথ্য প্রযুক্তি সম্ভলিত একটি উন্নত জীবন ব্যাবস্থার মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করবে।

 

সেই সাথে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা এই দেশটাকে উন্নত বিশ্বের কাতারে দাড় করাতে পারবো ইনশাল্লাহ। আর এ কঠিনতম কাজটি সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে , দেশের তরুন প্রজন্ম এবং মেধাবী যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য চাই এক ঝাক মননশীল যুব সমাজের সৃজনশীলতার দৃঢ় প্রত্যায়। আমি দীপ্ত কন্ঠে বলতে পারি ,ইনশাল্লাহ যার যথেষ্ট উদাহরন রয়েছে আমার মাঝে। যেমন দশমিনা সরকারী আবদুর রসিদ তালুদার ডিগ্রী কলেজ , দশমিনা সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দশমিনা নব নির্মত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও ভবনের সামনের পরিত্যাক্ত যায়গাটিকে একটি আধুনিক মার্কেটে রুপান্তরসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ আপনাদের পাশে দাড়িয়েছি। অতএব ,আমি এতটুকু জোড় গলায় বলতে চাই,যদি আমার প্রতি আপনাদের দোয়া-আর্শিবাদ এবং অকুণ্ঠ সমর্থন থাকে এবং দল আমার মেধা ও যোগ্যতাকে বিচার করে ,আমাকে মনোনয়ন প্রদান করেন,ইনশাল্লাহ আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো এবং আপনাদেরকে সাথে নিয়ে প্রিয় দশমিনা-গলাচিপাকে একটি অত্যাধুনীক সংসদীয় আসনে রুপান্তর করবো। যেখানে থাকবেনা কোন হিংসা হানা-হানি, থাকবেনা কোন প্রতি হিংসার লেশমাত্র,থাকবে না কোন দলীয় কোন্দল। সবাই আমরা হাতে হাত রেখে ,কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে কাজ করে যাব। তবে এজন্য চাই দল মত নির্বিশেষে আপনাদের সকলের অক্রিতিম ভালবাসা এবং সর্মথন। এবং উপজেলার সর্ব স্তরের শ্রেনী পেশার মানুষদেরকে দশমিনা উপজেলা আওয়ামী পেশাজীবি লীগের একজন গর্ভিত সদস্য হয়ে বঙ্গ কন্যা দেশ নেত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করারও আহবান জানান এই মনোনয়ন প্রত্যাসী।