পুলিশের ওপর হামলাকারীদের শাস্তিসহ ৭ দফা দাবীতে বরিশালে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৫:৫৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৫৮:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০১৮
পুলিশের ওপর হামলাকারীদের শাস্তিসহ ৭ দফা দাবীতে বরিশালে মানববন্ধন

বরিশাল :

পুলিশের ওপর হামলাকারী, অবৈশ মোটরচালিত রিক্সা মালিক ও সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ৭ দফা দাবীতে বরিশালে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল মহানগর রিক্সা, ভ্যান ও ঠেলাগাড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সদর রোডে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে সংগঠনের সভাপতি আবুল কাসেম ভাষানীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক আখতার হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ কালু সরদার, মোঃ ওবায়দুল হক বাদল, নুর মোঃ হাওলাদার প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন বরিশাল নগরীতে অবৈধ মোটর চালিত রিক্সা ও মাহেন্দ্রা আলফা চলাচল বন্ধ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় টোকেনবিহীন রিক্সা, ভ্যান ও ঠেলা গাড়ী চলাচল বন্ধ করাসহ তাদের ৭ দফা দাবী বহু আগেই পেশ করেছেন। যে দাবী আদায়ে মানববন্ধনসহ নানান কর্মসূচীও পালন করেছেন তারা। কিন্তু একটি মহল অবৈধ মোটর চালিত রিক্সা চালনার নামে অরাজকতরা সৃষ্টি করছে। এসময় বক্তারা ৭ দফা দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গিকার করেন। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উল্লেখ্য গত ১৯ এপ্রিল লাইসেন্সের দাবীতে বিক্ষোভরত ব্যাটারিচালিত রিক্সা শ্রমিক-মালিক সংগ্রাম কমিটি ও তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের বাদানুবাদ এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইসময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভরতদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বরিশাল জেলা বাসদের আহবায়ক প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুম্মন ও সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তীসহ ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। যে ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারি কমিশনার শাহনাজ পারভীন, কোতয়ালি থানার ওসি শাহ্ আওলাদ হোসেনসহ পুলিশের ৭ সদস্য আহত হয় বলে দাবী করা হয়। পাশাপাশি পুলিশের লাঠি চার্জে কমপক্ষে ১৩ জন শ্রমিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা প্রদান, পুলিশের ওপর হামলা করার অভিযোগে কোতয়ালি থানার এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে রুম্মন ও ডাঃ মনিষাসহ ৬৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে এ মামলার সোমবার সকাল পর্যন্ত আরো ১১ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যাদের সবাই এখন কারাগারে রয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনার পর ডাঃ মনিষা চক্রবর্তীসহ রিক্সা শ্রমিকদের পক্ষে বিবৃতি প্রদান, মানববন্ধনসহ নানান কর্মসূচী পালন করে আসছিলো বিভিন্ন সংগঠন। আর আজ পুলিশের ওপর হামলাকারীদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।