বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতির উদযাপন ২৫ নভেম্বর

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৭ | আপডেট: ৭:১৪:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৭
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের স্বীকৃতির উদযাপন ২৫ নভেম্বর

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আগামী ২৫ নভেম্বর দেশব্যাপী আনন্দ উৎসব উদযাপন করা হবে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া জাতির জন্য তথা এর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য একটি বিরাট অর্জন। বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে এর অন্তর্ভুক্তির মানে হচ্ছে চিরস্থায়ী বিশ্ব ঐতিহ্যের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা। এই অর্জনের উদযাপনে আগামী ২৫ নভেম্বর সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী আনন্দ শোভাযাত্রা হবে বলে জানান মুখ্য সচিব। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজš§কে অবহিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টেরও আয়োজন করা হবে।

কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানান, এই উদযাপন শুধুমাত্র উৎসবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং এটা হবে সচেতনতা সৃষ্টির কর্মসূচি, যাতে শিক্ষার্থীরা এবং ভবিষ্যৎ প্রজš§ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পারে। তাদের জানা উচিত ‘মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রার’ কি এবং বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য কি’। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ ক্লাস নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হবে উল্লেখ করে মুখ্য সচিব বলেন, জাতির গৌরব এই ভাষণটি প্রদর্শনের জন্য সব পাবলিক লাইব্রেরিতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এটি রাখা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ওপর কুইজ ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার মতো বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। তিনি বলেন, ভাষণটি বিভিন্ন ভাষায় সম্প্রচার করা হবে যাতে বিশ্ববাসী এর সম্পর্কে জানতে পারে। এ কাজে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে উৎসাহিত করব।