রনির জন্য অনেক মায়া এমপি তুহিনের

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:২৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০১৮ | আপডেট: ৮:২৪:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০১৮
রনির জন্য অনেক মায়া এমপি তুহিনের

ফিল্ম স্টাইলে চড়াচ্ছেন। এক হাতে মোবাইল, আরেক হাতে চড় মারছেন। মোবাইল রেখে ফের চড়ের ঝাপটা। কখনও শার্টের কলার ধরে আবার কখনও চুলের মুঠি ধরে থাপ্পরের পর থাপ্পর মেরেই যাচ্ছেন। নির্বাক যুবক করজোড়ে মাফ চেয়েও রক্ষা পাচ্ছেন না। পাঁচ মিনিটের নির্যাতনের ঘটনায় স্তব্ধ গোটা জাতি। চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনির থাপ্পর মারার ভিডিও এখন ভাইরাল। মিডিয়াতেও ঝড় বইছে এ নিয়ে।

ক্ষমতার দাপটে ধরাকে সরা জ্ঞান করা যায়, তারই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি। অপরাধের প্রমাণ পেয়ে সংগঠন থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারও করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় বিব্রত আওয়ামী লীগ নেতারাও নিন্দার তীর ছুঁড়ছেন রনির দিকে। অনেকেই অবিলম্বে বিচার দাবি করেছেন তার।

অথচ আওয়ামী লীগেরই এক সংসদ সদস্য নির্যাতনকারী নুরুল আজিম রনির পক্ষে সাফাই গাইলেন। রনির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ফেসবুকে পোস্টও করেছেন। পোস্টে তিনি রনির নানা কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

Rony

এমপি তুহিন তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজে সর্বশেষ পোস্টে লিখেছেন, ‘রনি পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্প দিয়ে শপথ করেছো রাজকার মুক্ত দেশ করবে। এখন তুমি চাইলেও তো আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা তোমাকে যেতে দেব না। তোমার অপরাধ তুমি বিশ্বাস করে তোমার পরিবারের জীবিকা নির্বাহের টাকা তুলে দিয়েছিলে রাশেদ নামের চতুর পর অর্থে লোভী তার হাতে। বার বার তোমাকে ঘুরানোর জন্য মাথাটা ঠান্ডা রাখতে পার নাই, যার সুযোগ নিয়েছে সুযোগ সন্ধানীরা। রনি আমি তোমাকে চিনি না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজগুলো দেখি আর তোমার দলের প্রতি দেশের প্রতি ভালোবাসা দেখতে পাই, কারণ আমিও মাঠের কর্মী। নেতারা তোমার পক্ষে বলবে কিনা জানি না, কিন্তু তৃণমূল তোমার পাশে আছে। দলের দুর্দিনে নেত্রীর পাশে ছিল তৃণমূল আর নেত্রীর কর্মীর পাশেও থাকবে তৃণমূল। নামীদামী গণমাধ্যম তোমার কথা হয়তো বলবে না, কিন্তু আমাদের হাতে আছে সোশ্যাল মিডিয়া। তোমার বাবার কষ্টের অর্থ আর তোমার সম্মান রক্ষার্থে ঝড় উঠাবো সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা। ভীষণ কষ্ট লাগে ছাত্রলীগের উপর একের পর এক নগ্ন থাবা দেখে, কারণ আমি নেতা ছিলাম না ছাত্রলীগের গর্বিত কর্মী ছিলাম এখনও বলছি আমার প্রথম প্রেম ছাত্রলীগ।’

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হয় সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনের সঙ্গে। তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বারবার ডায়াল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।