Logo

বিমান সার্ভিসে বরিশাল-ঢাকা রুট এখন লাভজনক হয়ে উঠেছে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:০১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০১৮ | আপডেট: ৪:০১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০১৮
বিমান সার্ভিসে বরিশাল-ঢাকা রুট এখন লাভজনক হয়ে উঠেছে

লোকসানের অজুহাতে গত ২১ বছরে কয়েকবার বিমানের সার্ভিস গুটিয়ে নেয়া হলেও বরিশাল-ঢাকা রুট এখন লাভজনক হয়ে উঠেছে। তৃতীয় সমুদ্র বন্দরসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় যাত্রী সংখ্যাও বাড়ছে। তবে রানওয়েতে লাইটিং এর ব্যবস্থা না থাকায় সূর্য ডুবির অনেক আগেই কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে বিকেলের ফ্লাইট বিলম্বিত হলে যাত্রীরা পড়েন দুর্ভোগে। অনেক সময় পাইলটরা ঝুঁকি নিয়ে ফ্লাইট টেক অফ করতে বাধ্য হন।

২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে দু’দিন বরিশাল-ঢাকা রুটে বিমান চলাচল করলেও যাত্রী বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট আরো একদিন বাড়ানো হয়েছে। এখন সপ্তাহে তিনদিন বরিশাল বিমান বন্দরের রানওয়ে স্পর্শ করছে বাংলাদেশ বিমান। এরসাথে তিনদিন চলাচল করছে বেসরকারি বিমান ইউএস বাংলা। সপ্তাহের ছয় দিন ছয়টি ফ্লাইটে পরিপূর্ণ থাকে যাত্রী। সন্ধ্যার পর ফ্লাইটের চাহিদা থাকলেও রানওয়েতে লাইটের ব্যবস্থা না থাকায় ফ্লাইট চালানো সম্ভব হচ্ছে না। মাঝারী ধরনের একাধিক ফ্লাইট চলাচল করতে পারলেও এ্যাপ্রোণ ছোট হওয়ায় দু’টি বিমানের বেশী জায়গা দেয়া সম্ভব নয়। এ জন্য এ্যাপ্রোণ বর্ধিত করা প্রয়োজন। একই সাথে বরিশাল বিমান বন্দরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করার দাবি যাত্রীদের ।

নাইট ফ্যাসিলিটির যে সমস্যা রয়েছে তা শীঘ্রই সমাধান হয়ে যাবে। এতে করে বিমানের আসা-যাওয়ার সংখ্যাও বেড়ে যাবে। বাড়বে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটও, বললেন বিমান বন্দরের এ ব্যবস্থাপক। ১৯৯৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ১৬০ একর জমির উপর প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বরিশাল বিমান বন্দরটি চালু করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় আকাশ পরিবহন সংস্থার ফ্লাইট চালুর পরও নানা ষড়যন্ত্রে এক সময়ে বিমান বন্দরটি পরিত্যক্ত হতে চলছিল। সে বিমান বন্দরটি এখন ক্রমশ আগ্রহের সৃষ্টি করছে সরকারি-বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থার।