বরিশাল নগরীর খালগুলোর দুর্দশা ভিডিও সহ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৫৬:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০১৮

ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বরিশাল নগরীর খালগুলো। ভরাট হওয়ায় নৌকা চলাচল এখন প্রায় অসম্ভব। পানি চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বর্ষায় প্রায়ই ডুবে থাকে নগরীর সড়ক আর বিভিন্ন এলাকা। দূষণে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে খালের পানি। এ অবস্থায় খাল খনন করে ব্যবহারের উপযোগী করার দাবি নাগরিক সমাজের।
এদিকে মেয়র বলছেন, সমস্যা সমাধানে ২৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

স্বাধীনতার সময় তৎকালীন বরিশাল পৌর এলাকার খালের সংখ্যা ছিল ২২টি। সবগুলো খাল নৌকা চলাচল এবং পানি ব্যবহারের উপযোগী ছিল। ৪৭ বছরে দখল, ভরাট আর দূষণের কবলে পড়ে বর্তমানে অস্তিত্ব আছে মাত্র ৫টি খালের। সেগুলো এখন ব্যবহারের একেবারে অনুপযোগী। বর্ষার পানি দ্রুত সরতে না পারায় প্রায়ই রাস্তা-ঘাট এবং ঘরবাড়ি জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, একসময় তারা এই খালে গোসল করেছেন, মাছ ধরেছেন তবে বর্তমানে এর পানি ব্যাবহারই করা যায় না। আগে এখানে নৌকা চলাচল করতো তবে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে এখন আর নৌকা চলতে পারে না। আর ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।’

এ অবস্থায় খাল খনন করে ব্যবহারের উপযোগী করার দাবি নাগরিক সমাজের।

বরিশাল নাগরিক সমাজের যুগ্ম সম্পাদক এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এখনই পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই খালগুলোকে সংস্কার করুক, এর নব্যতা ফিরিয়ে আনুক।’

আর মেয়র আহসান হাবিব কামাল জানান, খাল খননে ২৩০ কোটি টাকার ১টি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো পাশ হয়ে আসলে এটি খনন করে এর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া পাশে পায়ে হাটার পথও তৈরির চিন্তা আছে আমাদের। এরমধ্যে গ্রিন সিটির একটি প্রকল্পও রয়েছে।’

২০১৬ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. গাজী মোঃ সাইফজ্জামান খালগুলো দখল মুক্ত করে খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। জেল খাল খননের কাজ শুরুও হয়েছিল। কিন্তু তার বদলির পর এই কার্যক্রম আর এগোয়নি।

  • সময় টিভি