নবম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষন, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে অবস্থান

প্রকাশিত: ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৮ | আপডেট: ১২:৪৮:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৮

পার্বতীপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নবম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার বাড়িতে অবস্থান

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিরুদ্ধে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষন, ৭০ হাজর টাকার বিনিময়ে মিমাংসার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালীকা বাড়ি ডাঙ্গাপাড়া এলাকার গোলজার হোসেনের পুত্র সাজেদুরের (২৩) সাথে একই গ্রামের শাহজাহান আলীর কন্যা দরগাপাড়া ফাজিল মাদ্রাসার নবম শ্রেনীর ছাত্রী শাহাজাদি আক্তার মিম (১৬) এর ৪বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক চলাকালে সাজেদুর(২৩) ওই মেয়েক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ শাহাজাদির। পরে বিষয়টি এলকায় জানাজানি হলে উভয় পরিবারকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য ইউপি সদস্য মাহবুবের নেতৃত্বে বিগত ১৫দিন পূর্বে গ্রামে সালিশি বৈঠক বসে। কিন্তু বৈঠকে মেয়ের বাবা বিয়ের কথা বললে ছেলে পক্ষ রাজি না হওয়ায় বিচার ভুন্ডল হয়ে যায়। এর আগে সালিশের পূর্বেই সাজেদুরের মা-বাবা ছেলেকে অন্যত্র ভাগিয়ে দেয়। পরে শাহাজাদি আক্তার মিম (১৬) গত ১৩এপ্রিল শুক্রবার থেকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক সাজেদুরের বাড়িতে অবস্থান নেয়। তার অবস্থানে বিপদের অসন্ন বিপদ বুঝতে পেরে ছেলে পরিবার বাড়িতে তালা লাগিয়ে গৃহপালিত পশু পাখি নিয়ে পাশের গ্রামে অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

মেয়ের বাবা শাহজাহান আলী জানান, একই গ্রামের এবং পার্শ্ববর্তী বাড়ি হওয়ার সুবাধে আগে থেকেই শাহাজাদি ওই বাড়িতে যাওয়া আসা করতো। এ সুযোগে আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গোলজার হোসেনের ছেলে সাজেদুর বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষন করে। এখন ছেলের বাবা মা ছেলেকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছে। বিয়ের কথা বললে তারা রাজি হয় না। এ নিয়ে গ্রাম্য সালিশ ও হয়েছে কিন্তু ছেলের বাবা ধর্ষনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন আমরা এটা মানিনা। আমি এর সুষ্ঠ্য বিচার চাই।

মেয়ের মা জহুরা খাতুন বলেন, আমার অপারেশনের কারণে বাড়িতে না থাকার সুবাধে সুযোগে পেয়ে বিয়ের করার কথা দিয়ে ৪দিন স্মামী-স্ত্রীর মতো মেলামেশা করেছে। পরে জানা জানি হলে এসব কথা আমি যেন ছেলের মাকে না বলি এ জন্য আমাকে নানা ভয়ভীতি দেখায়। এখন তারা বাড়ি থেকে পালিয়েছে।

 

ছেলের বাবা গোলজার হোসেন বলেন, আমার ছেলে কি আমায় বলে ধর্ষন করেছে। আমার ছেলের যদি ওই মেয়ের সাথে কোন সম্পর্ক থাকে তবে তারা তাদের ঘরে আটকে রেখে আমার ছেলেকে বিয়ে দিলো না কেন? তাহলে তো আমার কিছু করার থাকতো না। মেয়ে আমার বাড়িতে আছে থাক।

এ বিষয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইমতিয়াজ কবীর জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। কারণ এখন পর্যন্ত কেউ এ ধরনের কোন অভিযোগ দেয়নি। মেয়ে পক্ষ অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।