“ এ্যাড, ইকবাল মাহামুদ লিটন’র ” ব্যাপক গণসংযোগ বাংলা নব বর্ষের আগাম শুভেচ্ছা

দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাসী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০১৮ | আপডেট: ৬:২৮:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০১৮

ফয়েজ আহমেদ,দশমিনা প্রতিনিধি ॥
পটুয়াখালী-৩ ,দশমিনা গলাচিপা আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাসী ,সাবেক ছাত্র নেতা,সাবেক উপজেলা আওযামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,দশমিনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান,পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সমাজ সেবক এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন,দলীয় ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে দুই উপজেলায় মাস ব্যাপী চলছে ব্যাপক গন সংযোগ এবং শুভ বাংলা নব বর্ষের আগাম শুভেচ্ছা।

 

দশমিনা-গলাচিপায় গনসংযোগ কালে লিটন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনার জন্য সকলের নিকট দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করে দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনসাধারনকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১৪২৫ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জোড় দাবী জানান। গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এবং জনগুরুত্বপুর্ন হাট-বাজারে পথ সভায় এ্যাড,লিটন বলেন,বঙ্গ বন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখনই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে,তখনই দেশের উন্নয় হয়। মানুষ শান্তিতে থাকে। আর অন্যান্য দল ক্ষতায় আসলেই দেশে লুট-পাট,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ এবং জঙ্গীবাদের মত সন্ত্রাসী দলের ব্যাপক আর্বিভাব ঘটে। যা দেশের শুধু শান্তি শৃংখলাকেই বিগ্নিত করে না,দেশে উন্নয়নের ধারাকেও ব্যাহত করে।

 

আপনারা জানেন,বিগত দিনে দেশে জামায়াত-বিএনপি জোটের ধ্বংশাত্বক কার্যকলাবকে মোকাবেলা করে তলাবীহীন ঝুড়ির দেশটা আজ একটি উন্নত দেশে কাতারে শামিল হচ্ছে । শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশের মানুষ এই আপনারা অনেকটাই শান্তিতে নিজের ঘরে দূর্চিন্তমুক্ত ঘুমাতে পারছেন। দু’বেলা পেট ভরে খাবার পাচ্ছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইসতিহারে অঙ্গীকার গুলোর মধ্যে অণ্যতম অঙ্গীকার ছিল,দশটাকা দরে আপনাদেরকে চাল খাওয়াবেন। আজ আপনারা তা পাচ্ছেন। আজ দেশে নেই কোন চুরি-ডাকাতির ভয়,নাই কোন রাস্তায় ছিন্তাইর কবলে পরার আশংখা,নাই কোন অফিস-আদালতে চাঁদাবাজী কিংবা টেন্ডার বাজির দৃশ্য। বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে সর্বাধিক স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশা-পাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোও যেমন মসজিদ,মন্দির ,গির্জা কিংবা প্যাগোডার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এই আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুরাবস্থার কথা চিন্তা করেই অগ্রাধীকারের ভিত্তিতে পদ্মা সেতু যা একদিন আমরা স্বপ্নেও কল্পনা করিনাই। রাজধানী ঢাকার সাথে আপনাদের যোগাযোগ ব্যাবস্থার সুবিধার লক্ষ্যে শিকারপুর-দোয়ারিকা,লেবুখালী ব্রিজ,শেখ হাসিনা সেনা নিবাস,পটুয়াখালী ব্রীজ,কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত হাইওয়ে মহাসড়ক,পায়রা সমুদ্র বন্দর,দশমিনার বীজ বর্ধন খামারসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন আমাদের এই পটুয়াখালীবাসীর জন্য। উপক’লীয় এলাকায় অত্যাধুনিক স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নির্মানের মধ্য দিয়ে চলছে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। উন্নতি হয়েছে,রাস্তা-ঘাট,ব্রিজ-কালবার্ট।

 

এখন আর ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জেলায় যেতে এক ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা রাস্তায় চলতে হয়না। তাই,বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সর্বদা বদ্ধ পরিকর। যে কারনে আজ সেই সোনার বাংলা,ডিজিটাল বাংলায় পরিনত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষনা করেছেন “ ভিষন ২০২১” অর্থাৎ দুই হাজার একুশ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ তথ্য প্রযুক্তি সম্ভলিত একটি উন্নত জীবন ব্যাবস্থার মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করবে। সেই সাথে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা এই দেশটাকে উন্নত বিশ্বের কাতারে দাড় করাতে পারবো ইনশাল্লাহ। আর এ কঠিনতম কাজটি সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে , দেশের তরুন প্রজন্ম এবং মেধাবী যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।

 

এ জন্য চাই এক ঝাক মননশীল যুব সমাজের সৃজনশীলতার দৃঢ় প্রত্যায়। আমি দীপ্ত কন্ঠে বলতে পারি ,ইনশাল্লাহ যার যথেষ্ট উদাহরন রয়েছে আমার মাঝে। যেমন দশমিনা সরকারী আবদুর রসিদ তালুদার ডিগ্রী কলেজ , দশমিনা সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দশমিনা নব নির্মত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও ভবনের সামনের পরিত্যাক্ত যায়গাটিকে আধুনিক মার্কেটে রুপান্তরসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ আপনাদের পাশে দাড়িয়েছি। অতএব ,আমি এতটুকু জোড় গলায় বলতে চাই,যদি আমার প্রতি আপনাদের দোয়া-আর্শিবাদ এবং অকুণ্ঠ সমর্থন থাকে এবং দল আমার মেধা ও যোগ্যতাকে বিচার করে ,আমাকে মনোনয়ন প্রদান করেন,ইনশাল্লাহ আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো এবং আপনাদেরকে সাথে নিয়ে প্রিয় দশমিনা-গলাচিপাকে একটি অত্যাধুনীক সংসদীয় আসনে রুপান্তর করবো। যেখানে থাকবেনা কোন হিংসা হানা-হানি, থাকবেনা কোন প্রতি হিংসার লেশমাত্র,থাকবে না কোন দলীয় কোন্দল। সবাই আমরা হাতে হাত রেখে ,কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে কাজ করে যাব। তবে এজন্য চাই দল মত নির্বিশেষে আপনাদের সকলে অক্রিতিম ভালবাসা এবং সর্মথন।

সরেজমিনে এবং দুই উপজেলার বেশ কিছু ত্যাগী নেতা কর্মীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, এবং গলাচিপা দশমিনার বিভিন্ন মহলের নেতা কর্মী ও সাধারন জনগণের দেয়া তথ্যমতে , অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাসীদের তুলনায় এ্যাড,ইকবাল মাহামুদ লিটন প্রচার প্রচারনায় অনেক এগিয়ে। তাদের মতে কেবল লিটনই পারবে একটি দলকে সু-সংঘঠিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে। কারন হিসেবে তারা মনে করেন, যে কয়জন মনোনয়ন দাবী করছেন,তাদের মধ্যে একমাত্র লিটনই কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত,এবং সকলের কাছে সমাধৃত।

 

তাই বলাই যায় , লিটনের বিকল্প শুধুই লিটন।এ মর্মে দশমিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আমির হোসেন,সাবেক যুবলীগ সভাপতি,সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক,পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ জাকির হোসেন ভুট্ট,এ্যাড,মোঃ সেলিম,এ্যাড,মোঃ নাসির উদ্দিন,এ্যাড,মোঃ কাজী জুয়েল, দশমিনা উপজেলা পেষাজীবী লীগের সভাপতি মো ঃ জাকির হোসেন জাফর তালুকদার, আঃ মতলেব সরদার,গাজী মোঃ মিজান,গলাচিপা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মানিক মিয়া,গলাচিপা থানা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আব্বাস প্যাদা,আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কোচিন,উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহ আলম হাং,উলানিয়া বন্দর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হাং,পানপট্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হাওলাদার,চরকাজল ইউরিয়র আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা,চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ হান্নান সমদার প্রমুখ বলেন অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাসীদের তুলনায় এ্যাড,ইকবাল মাহামুদ লিটন প্রচার প্রচারনায়ই নয়,বরং এ দুই উপজেলায় জন সমর্থনেও অনেক এগিয়ে। তাদের মতে কেবল লিটনই পারে একটি দলকে সু-সংঘঠিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে। কারন হিসেবে তারা মনে করেন যে কয়জন মনোনয়ন দাবী করছেন,তাদের মধ্যে একমাত্র লিটনই কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত,এবং সকলের কাছে সমাধৃত।

Print Friendly, PDF & Email