নব্য জেএমবির নারী নাবিলাকে গ্রেফতার

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৫০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৫০:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৮
নব্য জেএমবির নারী নাবিলাকে গ্রেফতার

জাতীয় শোক দিবসের দিন জঙ্গি হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির নারী শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধান হোমায়রা ওরফে নাবিলাকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট।

বৃহস্পতিবার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মুহিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে নাবিলাকে গ্রেফতার করা হয়।

মুহিবুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শোক দিবসের কর্মসূচিতে যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাতে অর্থের জোগানদাতা ছিলেন নাবিলা। তিনি নিয়মিত জঙ্গিবাদে অর্থায়ন করতেন।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, নব্য জেএমবির নারী শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধান ছিলেন নাবিলা। তার স্বামী তানভির ইয়াসির করিমও জঙ্গিবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন। তানভিরকে গত বছরের ১৯ নভেম্বর গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তিনি কারাগারে রয়েছেন।

সূত্র জানায়, নাবিলা ভিকারুননেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করার পর নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর করেন। নর্থসাউথে পড়ার সময়ই নাবিলা জঙ্গিবাদে যুক্ত হন। তার বাবা হাতিরপুলের মোতালেব প্লাজার মালিক জাকির হোসেন। পারিবারিক সূত্রে অনেক টাকা-পয়সা থাকায় জঙ্গিবাদে সেই টাকা ব্যয় করতে শুরু করেন নাবিলা।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনাকে নস্যাৎ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘অগাস্ট বাইট’ অভিযান। পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে আত্মঘাতী হয়ে মারা যায় জঙ্গি সাইফুল ইসলাম। সে খুলনার ডুমুরিয়া থানার নোয়াকাটি গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।

ওই ঘটনায় ১৬ আগস্ট কলাবাগান থানায় একটি মামলা হয়। মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে তানভির ইয়াসিন করিম ও আকরাম হোসেন খান নিলয় এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থ সরবরাহকারী। তারা নব্য জেএমবি’র শীর্ষস্থানীয় নেতা। পরে পর্যায়ক্রমে তানভির ও নিলয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।