“ এ্যাড, ইকবাল মাহামুদ লিটন’র ” মাস ব্যাপী গণসংযোগ

দশমিনা-গলাচিপা সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাসী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:১৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০১৮ | আপডেট: ১১:১৮:অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০১৮
“ এ্যাড, ইকবাল মাহামুদ লিটন’র ” মাস ব্যাপী গণসংযোগ

ফয়েজ আহমেদ,দশমিনা প্রতিনিধি ॥
পটুয়াখালী-৩ ,দশমিনা গলাচিপা আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাসী ,সাবেক ছাত্র নেতা,সাবেক উপজেলা আওযামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,দশমিনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান,পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সমাজ সেবক এ্যাডভোকেট ইকবাল মাহামুদ লিটন,দলীয় ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে দুই উপজেলায় মাস ব্যাপী চলছে ব্যাপক গন সংযোগ।

 

দশমিনা-গলাচিপায় গনসংযোগ কালে লিটন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনার জন্য সকলের নিকট দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জোড় দাবী জানান। গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এবং জনগুরুত্বপুর্ন হাট-বাজারে পথ সভায় এ্যাড,লিটন বলেন,বঙ্গ বন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখনই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে,তখনই দেশের উন্নয় হয়। মানুষ শান্তিতে থাকে। আর অন্যান্য দল ক্ষতায় আসলেই দেশে লুট-পাট,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ এবং জঙ্গীবাদের মত সন্ত্রাসী দলের ব্যাপক আর্বিভাব ঘটে। যা দেশের শুধু শান্তি শৃংখলাকেই বিগ্নিত করে না,দেশে উন্নয়নের ছোঁয়াও লাগতে দেয়না। আপনারা জানেন,বিগত দিনে দেশে জামায়াত-বিএনপি জোটের ধ্বংশাত্বক কার্যকলাবকে অত্যান্ত ঠান্ডা মাথায় মোকাবেলা করে আজ দেশ একটি উন্নত দেশে রুপান্তর হবার পথে । শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশের মানুষ এই আপনারা অনেকটাই শান্তিতে নিজের ঘরে দূর্চিন্তমুক্ত ঘুমাতে পারছেন। দু’বেলা পেট ভরে খাবার পাচ্ছেন।

 

জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইসতিহারে অঙ্গীকার গুলোর মধ্যে অণ্যতম অঙ্গীকার ছিল,দশটাকা দরে আপনাদেরকে চাল খাওয়াবেন। আজ আপনারা তা পাচ্ছেন। আজ দেশে নেই কোন চুরি-ডাকাতির ভয়,নাই কোন রাস্তায় ছিন্তাইর কবলে পরার আশংখা,নাই কোন অফিস-আদালতে চাঁদাবাজী কিংবা টেন্ডার বাজির দৃশ্য। বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে সর্বাধিক স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসার মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশা-পাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোও যেমন মসজিদ,মন্দির ,গির্জা কিংবা প্যাগোডার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। উপক’লীয় এলাকায় অত্যাধুনিক স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নির্মানের মধ্য দিয়ে চলছে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। উন্নতি হয়েছে,রাস্তা-ঘাট,ব্রিজ-কালবার্ট।

 

এখন আর ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জেলায় যেতে এক ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা রাস্তায় চলতে হয়না। বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সর্বদা বদ্ধ পরিকর। যে কারনে আজ সেই সোনার বাংলা,ডিজিটাল বাংলায় পরিনত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষনা করেছেন ভিষন ২০২১। অর্থাৎ দুই হাজার একুশ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ তথ্য প্রযুক্তি সম্ভলিত একটি উন্নত জীবন ব্যাবস্থার মধ্যে দিয়ে জীবন যাপন করবে। সেই সাথে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা এই দেশটাকে উন্নত বিশ্বের কাতারে দাড় করাতে পারবো ইনশাল্লাহ। আর এ কঠিনতম কাজটি সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে , দেশের তরুন প্রজন্ম এবং মেধাবী যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য চাই এক ঝাক মননশীল যুব সমাজের সৃজনশীলতার দৃঢ় প্রত্যায়।

 

আমি দীপ্ত কন্ঠে বলতে পারি ,ইনশাল্লাহ যার যথেষ্ট উদাহরন রয়েছে আমার মাঝে। যেমন দশমিনা সরকারী আবদুর রসিদ তালুদার ডিগ্রী কলেজ , দশমিনা সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দশমিনা নব নির্মত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও ভবনের সামনের পরিত্যাক্ত যায়গাটিকে আধুনিক মার্কেটে রুপান্তর । যে ভাবে আমার মনের মত করে সাজিয়েছি,তাহা আর কাহারো দ্বারা সম্ভব হয় নাই। অতএব ,আমি এতটুকু জোড় গলায় বলতে চাই,যদি আমার প্রতি আপনাদের দোয়া-আর্শিবাদ এবং অকুণ্ঠ সমর্থন থাকে এবং দল আমার মেধা,যোগ্যতাকে বিচার করে ,আমাকে মনোনয়ন প্রদান করেন,ইনশাল্লাহ আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো এবং আপনাদেরকে সাথে নিয়ে প্রিয় দশমিনা-গলাচিপাকে একটি অত্যাধুনীক সংসদীয় আসনে রুপান্তর করবো। যেখানে থাকবেনা কোন হিংসা হানা-হানি, থাকবেনা কোন প্রতি হিংসার লেশমাত্র। সবাই আমরা হাতে হাত রেখে ,কাধেঁ কাধঁ মিলিয়ে কাজ করে যাব। তবে এজন্য চাই দল মত নির্বিশেষে আপনাদের সকলে অক্রিতিম ভালবাসা এবং সর্মথন।

 

সরেজমিনে এবং দুই উপজেলার ত্যাগী নেতা কর্মীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, এবং গলাচিপা দশমিনার বিভিন্ন মহলের নেতা কর্মী ও সাধারন জনগণের দেয়া তথ্যমতে , অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাসীদের তুলনায় এ্যাড,ইকবাল মাহামুদ লিটন প্রচার প্রচারনায় অনেক এগিয়ে। তাদের মতে কেবল লিটনই পারবে একটি দলকে সু-সংঘঠিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে। কারন হিসেবে তারা মনে করেন যে কয়জন মনোনয়ন দাবী করছেন,তাদের মধ্যে একমাত্র লিটনই কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত,এবং সকলের কাছে সমাধৃত। লিটনের বিকল্প শুধুই লিটন।

 

দশমিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আমির হোসেন,এ্যাড,মোঃ সেলিম,এ্যাড,মোঃ নাসির উদ্দিন, দশমিনা উপজেলা পেষাজীবী লীগের সভাপতি মো ঃ জাকির হোসেন জাফর তালুকদার,বহরমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন মৃধা,এ্যাড,মোঃ কাজী জুয়েল,আঃ মতলেব সরদার,গাজী মোঃ মিজান,পটুয়াখালী জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ জাকির হোসেন ভুট্টো,গলাচিপা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মানিক মিয়া,গলাচিপা থানা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আব্বাস প্যাদা,আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কোচিন,উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহ আলম হাং,উলানিয়া বন্দর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হাং প্রমুখ বলেন অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাসীদের তুলনায় এ্যাড,ইকবাল মাহামুদ লিটন প্রচার প্রচারনায় অনেক এগিয়ে। তাদের মতে কেবল লিটনই পারবে একটি দলকে সু-সংঘঠিত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে। কারন হিসেবে তারা মনে করেন যে কয়জন মনোনয়ন দাবী করছেন,তাদের মধ্যে একমাত্র লিটনই কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত,এবং সকলের কাছে সমাধৃত। লিটনের বিকল্প শুধুই লিটন।