মাদারীপুরে চায়ের দোকানেও বইছে ভোটের হাওয়া

প্রকাশিত: ১১:০১ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০১৮ | আপডেট: ১১:০১:অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০১৮
মাদারীপুরে চায়ের দোকানেও বইছে ভোটের হাওয়া

দিনক্ষণ নির্ধারিত না হলেও এরই মধ্যে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের হাওয়া বইছে মাদারীপুরে। সংসদীয় ২১৮, ২১৯ ও ২২০ নম্বর আসনে এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। তবে এ জেলায় প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব চরমে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই মাদারীপুরে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের মধ্যে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রুপিং চলে আসছে।

 

মাঝে মধ্যে দুই গ্রুপ তুচ্ছ ঘটনায় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে রাজপথে নামে। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

এদিকে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করছেন। অনেকেই পোস্টার ও ব্যানার বানিয়ে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে জানান দিচ্ছেন, একাদশ নির্বাচনের খুব একটা বাকি নেই। ভোটাররা বলছেন, মাদারীপুরের এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ। এখানে বিএনপির প্রার্থীরা অপেক্ষাকৃত দুর্বল। অন্যদিকে বিএনপির জেলা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। দলের সাংগঠনিক কাঠামোও তেমন শক্তিশালী নয়, এর পরও এদলে প্রার্থীর ছড়াছড়ি। ।

 

মাদারীপুর-রাজের-২ (সদরের একাংশ-রাজৈর) এ আসনে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি এ আসনে ছয়বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এবং দুই বার মন্ত্রী হয়েছেন, বর্তমানের নৌপরিবন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকার সাধারন জনগন মনে করছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও শাজাহান খানের বিকল্প নেই। তিনি প্রতি সপ্তাহেই মাদারীপুরে আসা-যাওয়া করেন। জেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেন। এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এ ছাড়া আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাসা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাবুদ্দিন মোল্লা ও সাধারন সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে।

 

এদিকে বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন তারেক রমানের ঘনিষ্টজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এআর হাওরাদারের নাতী, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান কাওছার হাওলাদারের নাম জোরে শোরে শোনা যাচ্ছে । তবে পিছিয়েও নেই বিএনপির সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি ও মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান। বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারেন সরোয়ার হোসেন মোল্লাও। এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা মিল্টন বৈদ্যও তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ জেলায় জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামী দলগুলোর কিছু ভোট রয়েছে। সে তুলনায় বাম দলগুলো সক্রিয় নয়।