মুলাদীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ

প্রকাশিত: ১২:০০ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০১৮ | আপডেট: ১২:০০:পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০১৮
মুলাদীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ

মুলাদীতে ভালো ও প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র পরিবারের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চরগাছুয়া গ্রামের মৃত লেদু চৌকিদারের লম্পট পুত্র ৫ সন্তানের জনক আব্দুল খালেক চৌকিদার ওরফে ভন্ড খালেক একই এলাকার হতদরিদ্র নশা খানের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ধর্ষণের শিকার যুবতীর পরিবারের সদস্যরা জানান সোমবার সন্ধ্যায় ওই যুবতী পাশ্ববর্তী টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। ওই সময় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা লম্পট খালেক চৌকিদার মেয়েটির কাছে যায় এবং তার সাথে গেলে একটি ভালো ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানায়। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটি খালেক চৌকিদারের সাথে যায়।

 

পরে খালেক চৌকিদার তার এক আতœীয়ের বাড়িতে নিয়ে মেয়েটিকে দুই দিন ধরে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। মেয়েটির পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করে তাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে না পেয়ে খালেক চৌকিদারকে সন্দেহ করে। স্থানীয়দের চাপের মুখে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে খালেক চৌকিদার মেয়েটিকে বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যায়। গতকাল বুধবার সকালে ধর্ষিতার বাবা-মা তাদের মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে পেরে মুলাদী থানায় এসে আইনের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে খালেক চৌকিদারের লোকজন ধর্ষিতার পরিবারকে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিস্পত্তির কথা বলে অবরুদ্ধ করে রাখে।

 

ধর্ষনের ঘটনা স্থানীয় ভাবে মিমাংশার উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত ধর্ষিতার পরিবার মামলা দায়ের করতে পারেনি। এব্যাপারে মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল আহসান জানান বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ঘটনাস্থলে থানার এসআই আলী আকবরকে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।