খুলনায় বিপিসি ও যমুনার কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৭ | আপডেট: ৮:৩১:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৭
খুলনায় বিপিসি ও যমুনার কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

খুলনার ভৈরব নদ থেকে তেল আটকের ঘটনায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-বিপিসির দু’কর্মকর্তা এবং যমুনা পেট্রোলিয়াম লিমিডেট চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়ের তিন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-৬’র সদস্য শামসুল কবির বাদি হয়ে দিঘলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আটক ‘এমটি রায়দাহ’ জাহাজের ৫ কর্মকর্তা এবং কয়েকজন তেল চোরাকারবারিকেও আসামি করা হয়েছে।

.

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‌্যাবের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তবে ১৭ জন আসামির মধ্যে আটককৃত ৫ জনকে র‌্যাব থানায় সোপর্দ করেছে। মামলায় ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে ৮ হাজার লিটার তেল (ডিজেল) উদ্ধার দেখানো হয়েছে।

র‌্যাব-৬’র কোম্পানি কমান্ডার এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, তেল পাচারের সঙ্গে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড-বিপিসির দু কর্মকর্তা এবং যমুনা পেট্রোলিয়াম লিমিডেট চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়ের কয়েকজনের যোগসাজস পাওয়া গেছে।

মূলত বিপিসির কর্মকর্তা মোরশেদের নেতৃত্বেই তেল পাচারের ঘটনা ঘটেছে । যে কারণে মামলা মোরশেদসহ বিপিসির দু’কর্মকর্তা এবং যমুনা পেট্রোলিয়াম লিমিডেট’র টার্মিনাল ম্যানেজার (টিএম), ডিউটি অফিসার ও লোডআনলোড কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের মধ্যে আটক ‘এমটি রায়দাহ’ জাহাজের সুপার ভাইজার আবু হাসনাত টিটুসহ ৫ কর্মকর্তা এবং কয়েকজন তেল চোরাকারবারিও রয়েছে। তবে টিটু পলাতক রয়েছে।

এ ঘটনায় আটককৃতরা হচ্ছে উর্মি নেভিগেশনের ‘এমটি রায়দাহ’ জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, চীফ মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, মাস্টার, টেন্ডল জাহাঙ্গীর আলম ও চোরাকারবারি সুমন। এছাড়া স্থানীয় চোরাকারবারি পলাশসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন রয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে র‌্যাব-৬’র সদস্যরা খুলনার ভৈরব নদী সংলগ্ন যমুনা তেল ডিপোর নোঙ্গর করা তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি রায়দাহ’ থেকে তেল পাচার করার অভিযোগে জাহাজের প্রকৌশলী, কাপ্তান, মাস্টার এবং বিপুল পরিমাণ চোরাই তেলসহ ১৪ জনকে আটক করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান চোরাই তেল উদ্ধার করা হয়। তবে যাচাই-বাছাই করে জাহাজের অন্য কর্মচারীদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানায় র‌্যাব।