বাকেরগঞ্জে নিয়ামতি তশিলদারের অর্থ বানিজ্যে সরকারী জমি দখলের হিড়িক

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ৮:১৬:অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৮

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি বাজার সংলগ্ল খালে অবৈধ ভাবে বালু ভরাট করে পাকা ভবন নির্মানের কাজ শুরু করেছে স্থানীয় ভুমিদস্যুরা। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাকের ডগায় বসে প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মো. রিয়াজ উদ্দিন, দীলিপ সাহা, মো. জয়নুল মল্লিক ও মো. রহমান আওয়ামীলীগ নেতাদের ছত্র-ছায়ায় অবৈধ ভাবে খাল দখল করে বালু ভরাটের মাধ্যমে পাকা স্থাপনা নির্মানের কাজ শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু নিয়ামতি বাজার নয় নিয়ামতি থেকে শুরু করে পাদ্রীশিবপুর মার্কেট পর্যন্ত সরকারী খালের পাশ ঘেষে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অনেক অবৈধ পাখা স্থাপনা। ইউনিয়ন তশিলদাদের অর্থ বানিজ্যের কারনে বারবার অভিযোগ করলেও যেন টনক নরছে না উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। যার ফলে একদিকে যেমন কোটি কোটি টাকা মুল্যমানের সরকারী খালের জমি ভুমিদস্যুদের দখলে চলে যাচ্ছে,অপরদিকে বিস্তৃর্ন ফসলি জমির ফসল উৎপাদন পানি অভাবে ব্যহত হচ্ছে। আবার পানি সরতে না পারায় কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার সৃস্টি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিষখালী নদী সংযোগ এ খালটি দিয়ে মহেশপুর, চালিতাতলা, বাংলাবাজার সহ আশপাশের ফসলি জমিতে পানি সরবরাহ হয়ে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে নিচু জমির পানি নিয়ামতি বাজারের বৃহত্তম এ খাল দিয়ে নেমে যায়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা-যায়’ রিয়াজ উদ্দিন, দীলিপ সাহা, রহমান ও জয়নুল কয়েক বছর ধরে সরকারের কাছ থেকে ডিসিয়ার নিয়ে ওই জমি ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু আমরা যতদূর জানি ডিসিয়ারকৃর্র্ত সরকারী জমিতে কোন পাকা ঘর তোলা যাবে না। ক্ষমতাশীন দলের নেতাদে ইন্দনে ভুমিদস্যু বাহিনী পাকা স্থাপনার গড়ে তুলেছে। একটি সূত্রে জানায়, “রক্ষক এখন ভক্ষক” সরকারী জমি দেখা শোনা করার জন্য যাদের চাকরী দিয়েছে তারাই সরকারী জমির অবৈধ লাইন্সেস দিচ্ছে। ইউনিয়ন তশিলদার মোটা অংঙ্কের উৎকোচ বানিজ্য করে ভূমিদস্যুদের সরকারী খাল দখল করে লাইন্সেস দিয়েছে। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাকের ডগায় বসে খাল দখল করে ভুমিদস্যুদের বালু ভরাট করে পাকা স্থাপনার কাজের বিষয়ে কর্তপক্ষের কোন পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয় জনমনে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা খাল দখল করে নিমার্নের কাজ কর্তৃপক্ষ দেখও না দেখার ভান করে বসে আছে। অবৈধ স্থাপনার বিষয় ইউনিয়ন তশিলদারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার নামে যে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। আমি কারও কাছ থেকে একটি টাকা খাইনি। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।এব্যপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) উর্মি ভৌমিকের কাছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য আমাদের শ্রমিক ও গ্লোউজার কোনটাই নেই। আমরা উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষকে অবিহিত করে অতিশীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো