বাবুগঞ্জের দিলরুবার দূর্নীতির তদন্তে উর্দ্ধতন কর্তারা মাঠ পর্যায়ে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৫৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৭ | আপডেট: ১০:৫৪:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৭
বাবুগঞ্জের দিলরুবার দূর্নীতির তদন্তে উর্দ্ধতন কর্তারা মাঠ পর্যায়ে

বাবুগঞ্জের সেই তহসিলদার দিলরুবার দূর্নীতির তদন্তে উর্দ্ধতন কর্তারা মাঠ পর্যায়ে॥ অভিযোগের তীর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট সহকারি অশোকের দিকেও।

আরিফ হোসেন,বাবুগঞ্জ॥ বাবুগঞ্জের মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার দিলরুবার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অসদ আচারনের আনিত অভিযোগের তদন্তে মাঠ পর্যায়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (অ.জে.ম্যা) মোহাম্মদ মনির হোসেন হাওলাদার। গতকাল মঙ্গলবার দুপরে মাধবপাশা ভূমি অফিসে তিনি দিলরুবার বিরুদ্ধে অভিযোগ কারিদের লিখিতো সাক্ষ গ্রহন করেন।
এসময় অভিযোগকারিরা তহসিলদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দূর্নীতি, অসদ আচারন,ঘুষ আদায় ও জমি সংক্রান্ত কাগজ পত্র জিম্মি করে রাখার লিখিত সাক্ষ দেন। লিখিত সাক্ষ প্রদান করেন আব্দুল লতিফ মৃধা, রবিন বৈদ্ধ,কাজী মহিউদ্দিন,হাসেম গাজী,রুস্তুম আলী খা,জাহাঙ্গীর সরদার,মোসলেম আলী,আলকাস সরদার,আলেয়া বেগমসহ কয়েকজন।
অভিযোগকারিরা তাদের লিখিত বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ভুমি অফিসের সার্টিফিকেট সহকারী অশোক চন্দ্র মিস্ত্রির বিরুদ্ধে বলেন,সহকারি ভূমি কমিশনার এর অগাচরে তিনি তহসিলদার দিলরুবার সাথে আতাত করে ফাইল আটকে অর্থ আদায় করেন।
অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট মনির হোসেন হাওলাদার বলেন,“আজ সাক্ষ গ্রহন করা হয়েছে। বিষয়টি তদান্তাধীন। তহসিলদারকে আত্ম পক্ষ সমর্থন করতে বলা হয়েছে”।


উল্লেখ্য তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষদের অসহায়াত্বের সূযোগকে পূঁজি করে কৌশলে উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শুধু তাই নয় দাবীকৃত টাকা দিয়েও অনেকে মাসের পর মাস ধন্যা দিয়েছেন তার দপ্তরে। এব্যাপারে গত ০২-১০-১৭ তারিখে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।অভিযোগকারিরা তাদের লিখিত অভিযোগে তহসিলদার দিলরুবার বিরুদ্ধে নিদৃষ্ট ৬ টি অভিযোগের কাথা উল্লেখ করেছেন ।যেমন-দাখিলা প্রদানে সরকারি নিয়ম ৪০টাকা হলেও তার দাবী ৫শত টাকা, তার দাবীকৃত টাকা না দিলে আবেদনকারিকে দাখিলার নামে দিনের পর দিন ঘুরানো হয়, দলিল রেকর্ড করার জন্য ৮-১০হাজার টাকা আদায়, উপজেলা ভূমি অফিস থেকে কোন মামলার তদন্তের দায়ীত্ব দিলে গ্রাহকের কাছ থেকে ৫-১০ হাজার টাকা আদায় করা। আর দাবী পূরন না করলে গ্রাহকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা, ভিপি “খ” তফসিলের রেকর্ড সংশোধনের জন্য মূল কাগজ হাতে নিয়ে জিম্মি করে স্থানীয় দালাল চক্রকে সঙ্গে নিয়ে ৩০-৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা, জমি রেকর্ড করার নামে বিভিন্ন অফিসের ভাউচার দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা এবং তহসিলদারের এহেন কার্যকলাপে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সম্মান ক্ষুন্ন হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন অভিযোগকারিরা। তহসিলদার দিলরুবার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, স্থানীয় একটি মহল আমাকে দিয়ে তাদের অবৈধ কার্য হাচিল করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে ও হয়রানিমূলক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের জেলা বিএনপির অলোচনা
সভায় শতাধীক কর্মী নিয়ে ছাত্র নেতা সবুজ আকন