ডিপো নিয়োগের নামে প্রতারনা করে অর্থ আত্মসাত, গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:২৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৮:২১:পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০১৮
ডিপো নিয়োগের নামে প্রতারনা করে অর্থ আত্মসাত, গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী

মামলার নথি সূত্রে জানাগেছে আসামী মোঃ আবদুল মজিদ, মেসার্স এফ.এম ট্রেড কর্পোরেশনের মালিক ও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আবদুল মজিদের সঙ্গে ২০১৭ সালের জুন মাসের ৫ তারিখ ব্যবসায়ী চুক্তিবদ্ধ করেন বরিশাল সদরের ফকিরবাড়ী রো এলাকার স্টার গ্রাফিক্স এ্যান্ড ডিজিটাল প্রিন্ট এর প্রোপাইটর মোঃ গোলাম মোস্তাফা।

 

মামলার নথি ও ব্যবসায়ী চুক্তিবদ্ধে দেখা যায় বগুড়া জেলার আশোকোলা (দক্ষিণপাড়া) হাজারী দিঘী এলাকার মোঃ আঃ সাত্তার এর ছেলে এবং মেসার্স এফ.এম ট্রেড কর্পোরেশনের মালিক আবদুল মজিদ এর সঙ্গে বরিশাল ফকির বাড়ী রোডের ব্যবসায়ী ও স্টার গ্রাফিক্স এ্যান্ড ডিজিটাল প্রিন্ট এর ৩ অংশীদার এর পক্ষে গোলাম মোস্তফা টিভি ও ফ্রিজ সরবরাহ করার জন্য ডিপো নিয়োগের লক্ষ্যে বাদী তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে ষ্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিঃ এর বরিশাল শাখা থেকে নিরাপত্তা জামানত বাবদ ১২ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন। যাহার চেক নং-এ০৫০১৩১৭।

 

 

আসামী আবদুল মজিদ ১২ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। ডিপো নিয়োগ দিয়ে টিভি ও ফ্রিজ না পাঠাইয়া গোলাম মোস্তফা গংদের সঙ্গে র্দীঘদিন যাবত প্রতারণা করায় ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের ১৬ তারিখ প্রথমে চেক ডিজঅনার করেন এর ১ মাস পরে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ আসামীকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান হয় কিন্তু আসামী লিগ্যাল নোটিশ এর জবাব সঠিক ভাবে না দেওয়াতে গোলাম মোস্তফা বরিশাল মোকাম বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখ মামালা দায়ের করেন।

 

 

বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখ গ্রেফতারী  ওয়ারেন্ট জারী করেন। বর্তমানে আসামী পলাতক বলে জানা গেছে। মামলার বাদী গোলাম মোস্তফা জানান, আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে যেহেতু গ্রেফতারী আদেশ জারী করা আছে। তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। আবদুল মজিদকে ধরিয়ে দিলে পুরস্কার দেওয়া হবে।