ঢাকা, ||

রোহিঙ্গাময় টেকনাফ, ‘ঠাঁই নাই ঠাঁই না’ আর!


জাতীয়

প্রকাশিত: ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭

দীন মোহাম্মাদ দীনু

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

কবিগুরু লিখেছিলেন:’ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোটো সে তরী/ আমার সোনার ধানে গিযাছে ভরি।’ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা শহরের অবস্থা এখন এমনই। কবির সোনার ধান না হলেও ছোটো সে তরীর মতো ছোট্ট শহরটি আজ ভরে উঠেছে ভিন দেশ থেকে জীবন নিয়ে পালিয়ে আসতে পারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভিড়ে। শহরের কোথাও যেন ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অফিস থেকে শুরু করে নির্মাণাধীন ভবন, মার্কেট, ব্যাংকের বারান্দা, বাসস্ট্যান্ড, বাজার, মসজিদ, বাসাবাড়ির বারান্দা, বাগান, সব স্থানেই কেবল রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই চারদিক থেকে আসছে আরো অসহায় মানুষের ঢল। যার সঙ্গে কেবল মেলানো যায়, ৭১-এ ভারত যাওয়া বাংলাদেশী শরণার্থীদের ঢলকে। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এই মানবঢল আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নাগরিকেরা।

গতকালই (শনিবার) শাহপরীর দ্বীপের বদর মোকাম হয়ে নৌকায় করে পরিবার পরিজন নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন মংডু জেলার জামবুনিয়া গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন। বিকেলেই তিনি চলে আসেন টেকনাফ শহরে। সাত সদস্যের এ দলটির স্থান হয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। তাদের সঙ্গে এখানে আছেন আরো অন্তত শ-তিনেক মানুষ। তবে এদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। এদের মধ্যে আছেন সাখাওয়াত হোসেনের মতো কিছু ষাটোর্দ্ধ পুরুষও। রাতের বেলা নারীরা গাদাগাদি করে থাকলেও বেশিরভাগ পুরুষই রাত জেগে পাহারা দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ অফিসের উল্টো দিকেই আছে নির্মানাধীন একটি বড় মার্কেট। এই মার্কেটের নীচতলা ও দোতলায় জায়গা হয়েছে আরো হাজার খানেক মানুষের। এদেরও বেশিরভাগই নারী ও শিশু। সবাই পালিয়ে আসার সময় সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন কিছু না কিছু সাংসারিক সরঞ্জাম। এদের কেউ কেউ মুচনি

-বাংলানিউজ

Top