ঢাকা, ||

যশোরে মায়ের বিরুদ্ধে সন্তান হত্যার অভিযোগ


খুলনা

প্রকাশিত: ৩:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ বাঘারপাড়ায় এক মায়ের বিরুদ্ধে তার চার বছর বয়সী সন্তানকে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, পরকীয়ার কারণে ওই নারী এই কাজ করেছেন। ঘটনা উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়নের তৈলকুপ গ্রামের। নিহত মিনহাজুর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের জোড়াদহ গ্রামের ইমদাদুল হক পলাশের ছেলে। নিহতের দাদা ইনসার আলী বলেন, ‘তৈলকুপ গ্রামের আব্দুল মালেকের মেয়ে সালমা বেগমের সঙ্গে আমার ছেলে ইমদাদুল হক মিলনের ৬-৭ বছর আগে বিয়ে দিই। তাদের ছেলে-সন্তান মিনহাজ হোসেন।’

তিনি বলেন, ‘আমার পুত্রবধূ উগ্র মেজাজের, চলাফেরা খুব খারাপ। একটি ছেলের সঙ্গে সে পরকীয়ায় আসক্ত।

এ নিয়ে তাদের সংসারে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। প্রায় এক বছর ধরে সালমা বেগম ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোনে কথা বলেই যেত। গত ৮ আগস্ট সকালে একটি সালিশে সালমা সরাসরি বলে, ‘আমি এখানে সংসার করব না। আমি একটি ছেলেকে ভালবাসি। তাই আমি চলে যাচ্ছি। আর ফিরব না।’ এই বলে সে তার বাবার বাড়ি তৈলকুপ গ্রামে চলে যায়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আমাদের আর কোন যোগাযোগ নেই।‘গত মঙ্গলবার সকালের কোন এক সময় সালমা তার ছেলে মিনহাজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশে চিত্রা নদীতে জাগ দেয়া পাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে এলাকাবাসী টের পেয়ে মোবাইল ফোনে ঘটনাটি আমাকে জানায়। পরিবারের লোকজন নিয়ে আমি বেলা পৌনে তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। বিষয়টি বাঘারপাড়া থানায় জানালে পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়’, বলছিলেন ইনসার। জানতে চাইলে বাঘারপাড়া থানার এসআই জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছি। তবে লাশের মুখ ও পেটে পানি পাওয়া যায়নি। শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন ছিল না। এটা পরিকল্পিত হত্যা কি না এই মুহূর্তে বলা যাবে না। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

Top