ঢাকা, ||

মা-মেয়েকে মাথা ন্যাড়া : কাউন্সিলর রুমকিসহ সাতজন রিমান্ডে


অপরাধ

প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

বগুড়ায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এবং পরে তাকেসহ তার মাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় সাতজনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
এনিয়ে মামলা দুটিতে মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। এর মধ্যে পৌর কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিকে চারদিন এবং অপর ৫ আসামিকে দুইদিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার প্রধান অভিযুক্ত শ্রমিকলীগের তুফান সরকারসহ রাতেই গ্রেফতার চারজনের মধ্যে তিনজনকে তিনদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। গ্রেফতার আতিক নামের অপর আসামি ১৬৪ ধারায় ঘটনার পরদিনই জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পরে গ্রেফতাকৃত সাতজনকে সোমবার বিকেল ৪টায় বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ গ্রেফতাকৃতদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭দিন রিমান্ডের আবেদন করেন। বগুড়া অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম সূন্দর রায়ের আদালতে শুনানি শেষে কাউন্সিলর  মার্জিযা হাসান রুমকির চারদিন এবং অপর পাঁচজনের দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার রাতে গ্রেফতার নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি, তার বাবা জামিলুর রহমান রুনু, মা রুমি বেগম, তুফানের স্ত্রী আশা, তুফানের গাড়িচালক জিতু এবং সহযোগী মুন্না ও নাপিত জীবনসহ ৭ আসামিকে সোমবার বিকেলে বগুড়ায় আদালতে হাজির করে  ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় পুলিশ।
এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ রিমান্ড মঞ্জুর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি আরো জানান, তুফান, তার সহযোগী আলী আজম দিপু ও রূপমকে ৩ দিনের রিমান্ডে এনে জিঞ্জাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান সার্বিক ঘটনা তুলে ধরে বলেন, ১০ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছিল তার মধ্যে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিমুল নামে এক আসামি পলাতক রয়েছে। তবে জীনব নামে যে নাপিত মাথা নাড়া করেছিল তাকে এবং রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনুকেও ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

Top