ঢাকা, ||

বরিশালের জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার মেনে নেয়া যায় না: মোমেনা সিফা রুমকি


আইন আদালত

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

 

 

মোমেনা সিফা রুমকি:

প্রথম থেকেই এ বিষয়ে কোন কথা বলবো না বলে ঠিক করেছিলাম। আসলে আমার কথা বলা বা না বলা থেকে কিছুই হবে এই ধারণা থেকেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলাম। কিন্তু মানুষ তো তাই আর পারলাম না।

বরিশাল সমস্যার সমাধান ও সম্ভাবনার জন্য দীর্ঘদিন একজন মানুষ কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমি যতটুকু দেখেছি চিনেছি তাতে এতটুকু বলতে পারি যে উনি মন্দ কিছু দেখেন নাহ।

একদিন কোন এক কাজে তার কক্ষে বসা ছিলাম, তিনি ফোন আলাপে বাল্যবিবাহ রোধে এক বাবা কে অনুরোধ করছেন, কিন্তু লোকটি সেটা উপেক্ষা করে তাকে অসম্মান করে যাচ্ছিলেন।এক পর্যায়ে আমাদের খুব খারাপ লাগছিল, কিন্তু এতো বড় পদে থেকেও তার একবিন্দুও খারাপ লাগেনি। আমাদের বললেন ” রাগের মাথায় না বুঝে বলেছে, এটা স্বাভাবিক”

আমি তখন মুগ্ধ হয়ে শুধু তাকিয়ে ছিলাম।

হয় তো বুঝতেই পারছেন কার কথা বলছি। জি আমি আমাদের জেলার জেলা প্রশাসক জনাব ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান স্যার এর কথা বলছি।

তাকে যে একদিন এই জেলা থেকে যেতে হবে এটা আমার জানা এর আগে যেই স্যার ছিলেন তিনিও গিয়েছেন। আসা যাওয়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া আমি এর বিরোধ করছি না। কিন্তু তাই বলে প্রত্যাহার!!!

ইউএনও হয়রানী বিষয় টি প্রথম থেকেই ফলোআপ করছি। তার সাথে যেটি হয়েছে তা অবশ্যই ভুল। কিন্তু কার ভুল?

প্রশাসন একটি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চলে। তারা উপর থেকে নিচে সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থাৎ উপরে যদি কোন বিষয় হ্যা হিসেবে গণ্য হয় যেটা নিচে পদস্থ সবার মানতে হয়।

ইউএনও বিষয় টিও তাই। তৎকালীন বিভাগের কমিশনার স্যার ডিসি স্যার কে যেভাবে আদেশ দিয়েছেন স্যার তার আদেশের পালন করেছেন। তাহলে প্রত্যাহার করার কারন কি?

আর একটি বিষয় ইউএনও তো বলেননি যে বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক তাকে হয়রানী করেছে। তাহলে?

অনেক প্রশ্ন করেছি। আমার যানা নেই এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর কে দেবেন। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর গুলো আমার চাই। আমাদের জানাতে হবে।

আর একটি কথা কারো সম্পর্কে না জেনে আমরা অনেক কিছু বলি। একটু জেনে বলা ভাল। একজন শহীদ পরিবারের সদস্য আজ জামাত এর লোক কি করে হতে পারে আমার জানা নেই। চাইলেই যা খুশি বলবেন আর তা মেনে নিবো! দুঃখিত তা হবে না।

প্রত্যাহার মানছি না। মানবো না।

Top