ঢাকা, ||

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতি, পুড়ে গেছে ২০ বিঘা ইরি সারো কচু


কৃষি ও প্রকৃতি

প্রকাশিত: ১০:১৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

যশোর প্রতিনিধি:  চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারণে সেচ অভাবে প্রায় ২০ বিঘা ইরি সারো কচু পুড়ে গেছে। যার ফলে কৃষকদের প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। বার বার উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও ১১ দিনে সেচ প্রকল্পের বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি কৃষক আবুল হোসেন।

জানা গেছে, গত ১১ দিন বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় সেচের অভাবে হাজরা খানা গ্রামের প্রায় ২০ বিঘা ইরি কচু পুড়ে গেছে। বিঘা প্রতি কচুতে খরচ হয় প্রায় ২৫ হাজার টাকা। কৃষকরা বাজারে বিঘা প্রতি কচু বিক্রি করে প্রায় লক্ষাধিক টাকা। হাজরা খানা গ্রামের কৃষক জাহান আলী (৫৪) ১ বিঘা, ইদ্রিস আলী (৬০) দেড় বিঘা, শান্তি (২৮) ১ বিঘা, শফিকুর (৫০) ১ বিঘা, আসাদুল (৩৫) ২ বিঘা, কওছার আলী (৫০) ৩ বিঘা, কালাম (৪০) দেড় বিঘা, শুকুমার পাল (৪৫) দেড় বিঘা, সুলতান আহমেদ (৬০) আড়াই বিঘা, ফরহাদ হোসেন (৫০) ১ বিঘা, রবিউল ইসলাম (৬৫) প্রায় ১ বিঘা ইরি কচু লাগান। কিন্তু চৌগাছা পল্লী বিদ্যুতের কিছু অসাধু, কর্তব্যহীন কর্মকর্তার অবহেলার কারণে সেচের অভাবে কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে গত ১৯ এপ্রিল প্রকৃতিক দূর্যোগের কারণে বিদ্যুতের ১টি খুটিতে আগুন ধরে যায়। এলাকাবাসির প্রচেষ্টার বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রনে আসলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে খবর দিলে উনারা লাইন কেটে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে যায়। বৈদি্যুতিক খুটি পুড়ে নষ্ট হয়ে গেলে সাথে সাথে গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন সিও করলে প্রায় ১ সপ্তাহ পরে গত ২৮ এপ্রিল যশোর থেকে ঠিকাদার এসে বৈদ্যুতিক খুটি নতুন করে স্থাপন করে দিয়ে যায়।

এদিকে গত ১ সপ্তাহে বিদ্যুত না থাকায় সেচের অভাবে কৃষকদের মাঠের ফসলের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। নতুন বৈদ্যুতিক খুটি আসলে চৌগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে বার বার বলা হলেও এখন ও পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হয়নি। সেচের অভাবে কৃষকদের কচু সব নষ্ট হয়ে গেছে। গত শনিবার ২৯ এপ্রিল থেকে সকাল, দুপুর, বিকালে সংযোগ দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করা হচ্ছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। এমতাবস্থায় এলাকার কৃষকরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

Top