ঢাকা, ||

পবিত্র শবেকদর আজ


উপরের চার নিউজ

প্রকাশিত: ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৭

দীন মোহাম্মাদ দীনু

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবেকদর। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে এ রাত হাজার রাতের চেয়ে পুণ্যময়।

মহান আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হাজার রাতের চেয়েও উত্তম’ পবিত্র শবেকদর সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যময় রজনী। পবিত্র শবেকদর বা লাইলাতুল কদরের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগি করবেন।

পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে মহাপবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ সারা রাত ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন।

এ রাতে মুসলমানরা নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত করবেন।

পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে দিন ও রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত বিভাগের পরিচালক মো. মোজাহারুল মান্নান বলেন, পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আজ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে শবেকদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল এবং বাদ মাগরিব (ইফতারের পরে) পবিত্র শবেকদরের প্রাক-বয়ান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

রাত ১১টায় নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক ব্যবস্থায় ‘শবেকদরের ফজিলত ও করণীয়’ শীর্ষক তাফসিরুল মাহফিল অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন থাকবে।

মো. মোজাহারুল মান্নান বলেন, পবিত্র শবেকদরকে ঘিরে এবারই প্রথম ‘কিয়ামুল লাইল’ নামে ফজিলতপূর্ণ আরেকটি আয়োজন করা হয়েছে। এটি বিশেষ তারাবির নামাজের অনুষ্ঠান। রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ বিশেষ তারাবির নামাজ আদায় করা হয়। শবেকদরকে উদ্দেশ করে ২১ রমজান থেকে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে, আগামীকাল ২৬ রমজান শেষ হবে। প্রতি রাতে তারাবির নামাজে পাঁচ পারা করে কোরআন পড়া হয় এবং ২৬ রমজান রাতে এখানে কোরআন খতম হবে।

পবিত্র শবেকদর উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। এ ছাড়া সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে।

Top