ঢাকা, ||

ধেয়ে আসছে রাজনৈতিক সাইক্লোন!


মতামত

প্রকাশিত: ১০:৫১ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৬

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

১. ২৩ জুন পলাশী দিবস। ১৭৫৭ সালের এই দিনে ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে ষড়যন্ত্রমূলক যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায়। সিরাজ তখন সুবে বাংলা তথা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব। মুর্শিদাবাদ সুবে বাংলার রাজধানী। বাস্তবে পলাশীর যুদ্ধে নবাব হারেননি, হেরেছে বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রের কাছে বাংলার স্বাধীনতা। এই হার জিতের নাটকীয়তায় বাংলার স্বাধীনতা উপনিবেশবাদী ইংরেজদের হাতে চলে যায়। এর জের ধরেই একে একে ভারতের দেশীয় রাজ্যগুলোর দখলি স্বত্বও চলে যায় সেই ব্রিটিশ বেনিয়াদের হাতে। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন কার্যকর ছিল। পলাশী ট্র্যাজেডির পর নামে মাত্র মীর জাফর আলী খানকে সিংহাসনে বসানো হলেও সুবে বাংলা পরিচালিত হচ্ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্লাইভের মর্জি মতো। মীরজাফরের পরিণতিও ভালো হয়নি। বিশ্বাসঘাতকতার পরও ইংরেজ বেনিয়াদের পক্ষ থেকে কোনো পুরস্কার তার ভাগ্যে মেলেনি। তিরস্কার আর লাঞ্ছনাই জুটেছে তার কপালে। এখন ‘মীরজাফর’ বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশব্দ। এর ক’দিন পর মীরকাশিম বাংলার নবাব হয়ে বুঝতে পারেন, নবাবী আর তাদের হাতে নেই। সন্ধি আর চুক্তির বেড়াজালে এবং স্বার্থের বোঝাপড়ায় সুবে বাংলার স্বাধীনতাসূর্য অস্তমিত প্রায়। মীরকাশিম তখন তার শ্বশুর বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর ও অপরাপর রাজন্যের সব ষড়যন্ত্র টের পেয়ে যান। তত দিনে হিন্দু জমিদার ও রাজন্যবর্গের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ইংরেজ বণিকদের মানদণ্ড রাজদণ্ডের পর্যায় পৌঁছে গেছে। বাধ্য হয়ে মীরকাশিম সশস্ত্রশক্তি দিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার শেষ চেষ্টা চালান। দুর্ভাগ্য, ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মীরকাশিম পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হন। ভাগ্যবিড়ম্বিত মীরকাশিমের শেষ পরিণতি সম্পর্কে ইতিহাস নীরব। তবে ‘স্বাধীনতার অস্তমিত সূর্যে’র খ্যাতি তার বিলম্বিত বোধোদয়ের পুরস্কার হিসেবে ইতিহাস তাকে সম্মানের আসনে বসিয়েছে। বাংলার মানুষের কাছে পলাশী ট্র্যাজেডি অসহনীয় এক ব্যথাতুর স্মৃতি। বিশেষত মুসলমানদের কাছে স্বাধীনতা হারানো ও অস্তিত্ববিনাশী হিসেবে দেখা দেয়। হিন্দুরা মুসলিম শাসকের বদলে ইংরেজ শাসক আগমনের বিষয়টি সমর্থন ও সহযোগিতা করে। অবশ্য বিলম্বে তাদেরও কিছুটা বোধোদয় ঘটেছিল।

একটা জাতির ওপর পরাধীনতার গ্লানি তাৎক্ষণিক আপতিত হয় না। নিজেদের ভুলের মাশুলগুলো দিনে দিনে দূরতিক্রম্য হয়ে ওঠে। তত দিনে আগ্রাসী শক্তি সর্বত্র শেকড় গেড়ে বসে। জাতির অনৈক্যের ফাটল দিয়ে ঢুকে পড়ে আধিপত্যবাদী শক্তি। জাতির ঘাড়ে চেপে বসে অর্থনৈতিক শোষণের জোয়াল। সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ঘরে ঘরে সৃষ্টি করে বশংবদ। রাজনৈতিক নিপীড়ন বাড়িয়ে তোলা হয়; যাতে আগ্রাসনকে সার্বভৌমত্ব হারানোর বিষয় না ভেবে শাসক পরিবর্তন ছাড়া সাধারণ মানুষ আর কিছু চিন্তাও না করে।
পলাশীর প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়েছিল সম্রাট জাহাঙ্গীরের বদান্যতার সুযোগে। ইংরেজ বণিকেরা সুই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোতে শুরু করল। নবাব আলীবর্দী খাঁর আমলের শেষ দিকে ইংরেজ ষড়যন্ত্র প্রকাশ্য রূপ পেতে শুরু করে। আলীবর্দী টের পেয়েছিলেন। সতর্কও করেছিলেন। স্বার্থবাজরা আমলে নেয়নি। আলীনগর সন্ধিও ছিল বশ্যতামূলক। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুরভিসন্ধি, নবাব পরিবারের ভেতরের ষড়যন্ত্র, হিন্দু জমিদারদের দ্বিমুখী আচরণ এবং মীর জাফরগং-এর বিশ্বাসঘাতকতার ফলেই পলাশী ট্র্যাজেডি সংঘটিত হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং নিরাপত্তা কৌশল নিয়ে যারা ভাবেন, তারা পলাশীর পরিপ্রেক্ষিতের সাথে আজকের বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থার মিল-অমিল মিলিয়ে দেখতে চান। তাতে এক কথায় উপসংহার টানা সম্ভব না হলেও চলমান পরিস্থিতি মোটেও শঙ্কামুক্ত থাকার মতো নয়। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাবেষ্টনী ও জাতীয় স্বার্থ চ্যালেঞ্জের মুখে। পড়শিদের নিরাপত্তাকৌশলের কাছে আমাদের অবস্থান জিম্মির মতো। আমাদের বার্গেনিং ক্ষমতা অনুল্লেখযোগ্য ও নতজানু। এ অবস্থা দেখেই সম্ভবত ব্রিটিশ প্রভাবশালী দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের রোববারের সংস্করণ দ্য অবজারভারের সম্পাদকীয়তে মন্তব্য করেছে, ‘ভবিষ্যতে বাংলাদেশ একটি ধ্বংসাত্মক আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সাইক্লোনে ক্ষত-বিক্ষত হতে পারে এবং দেশটির একার পক্ষে এই সাইক্লোন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।’ একই সম্পাদকীয় মন্তব্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির যে ভয়াবহ চিত্র রয়েছে, এর সাথে দ্বিমত পোষণ করা যায়, এটা অস্বীকার করা যায় না। তাহলে আরেকটি পলাশী ধরনের বিপর্যয় ধেয়ে আসছে না-তো? অন্তত এর পটভূমি সৃষ্টিতে আমরা সবাই জড়িয়ে যাইনি তো?
২. জঙ্গি ও সন্ত্রাসী গ্রেফতার অভিযানের একটি খণ্ডচিত্র হচ্ছে, চার দিনে ৯ হাজারের বেশি গ্রেফতার হয়েছে। সাত দিনের অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে প্রায় ২০ হাজার। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, তার মধ্যে মাত্র ১৯৪ জন জঙ্গি। তবে চাঞ্চল্যকর খুনের সাথে জড়িত কেউ নেই। প্রশ্ন ওঠে তাহলে অবশিষ্টরা কারা? নিঃসন্দেহে বিভিন্ন বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী, নেতা কিংবা সাধারণ মানুষ। এক দিকে ঘোষণা দিয়ে গণগ্রেফতারের সমাপ্তি টানা হলো, আবার অভিযান অব্যাহত থাকলো কেন? ১২ দিনে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলো ১৬। উত্তরায় বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হলো। রিমান্ডে থাকা ফাহিম বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ দিলো। গুপ্তহত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে একমাত্র ফাহিম জনতার হাতে ধরা পড়েছে? তাকে হত্যা করে কাদের আড়াল করা হচ্ছে? কেন আলামত রাখা হচ্ছে না? খালেদা জিয়ার অভিযোগ সরকার কি প্রমাণ করতে চায়? পরিস্থিতি এতটাই বাড়াবাড়িমূলক যে, সাঁড়াশি অভিযানে আটক হাজার হাজার অতিরিক্ত বন্দীর চাপে কারাগারগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সব কারাগার মিলিয়ে ধারণক্ষমতা রয়েছে ৩৪ হাজার, বন্দী রয়েছে ৭৬ হাজার। ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দী নিয়ে কারাগারগুলোতে মানবিক বিপর্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এক দিকে পুলিশের চাঁদাবাজির অত্যাচারে স্বজনদের আহাজারি, অন্য দিকে শত শত রোজাদার পরিবারে নির্ঘুম রাত, প্রতীক্ষার প্রহর গোনা, পুলিশের ভয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে নিরুদ্দেশে ঘুরে বেড়ানোÑ এ যেন মানবসৃষ্ট হয়রানির বীভৎস চিত্র। স্বাধীন দেশে রাষ্ট্রের পক্ষে সরকার সন্তানতুল্য নাগরিকদের বিরুদ্ধে এমন অমানবিক রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতে পারে, তা কল্পনাও করা যায় না। আমরা জানি না ‘হেড অব দ্য গভ্মেন্ট’ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ধার্মিক মনে রোজার অনুভূতি চ্যালেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে কি না, তাকে কি ভুল বোঝানো হচ্ছে, না তিনি ভয়াবহ বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সবটা জানেন না। রোজায় আল্লাহ ঈমানদারদের জন্য তো বটেই, পাপী তাপীদের জন্যও রহমতের দরজা খুলে দেন। আমরা কেন হাজার হাজার মানুষকে গজবের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছি?
৩. আবার জাসদ নিয়ে মুখ খুললেন সৈয়দ আশরাফ। জবাব দিলেন রব, ইনু, শিরীনসহ অনেকেই। সৈয়দ আশরাফ এই প্যান্ডোরার বাক্স এখন আবার খুলতে গেলেন কেন? একই সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের মধ্যে এই বিতণ্ডা, হঠাৎ করে অনেককে ভাবিয়েছে। বিতর্কে যোগ দিয়েছেন কাজী ফিরোজ রশিদ এবং অন্যরাও। ১৪ দলীয় জোটের ভেতর এই খুনসুটি পুরনো। ঐক্যের ভেতর অনৈক্যের সুর বাজানোর তাৎপর্য কী! জাসদ ইস্যু এই মুহূর্তে জাতীয় সমস্যা নয়। এখন জাসদ নিজস্ব রাজনীতি করছে না, সরকারের অংশ। তাহলে আসল উদ্দেশ্য কী? কখনো মনে হয়, যখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়, জনগণের দৃষ্টি ফেরানোর একটা দায় বর্তায়, তখন এ ধরনের কুতর্কের ইস্যু ছুড়ে দেয়া হয়। আজকের জাসদ যেমন বিতর্কের ঊর্ধ্বে নেই, তেমনি আওয়ামী লীগও রাজনীতির ধোয়া তুলসী নয়। ’৭১ অবধি আওয়ামী লীগ ভিন্ন ধরনের। ’৭২ থেকে ’৭৫ আওয়ামী লীগের রাজনীতি শতভাগ কুয়াশাচ্ছন্ন। স্বাধীনতার পর জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব উপেক্ষিত হলে, স্বাধীনতার স্বপ্ন ভঙ্গের প্রেক্ষাপটে তারুণ্যের ক্ষোভের আগুন থেকে জাসদের উত্থান ছিল অনিবার্য। জাসদ রাজনৈতিক অসঙ্গতির কারণে কাচের মতো ভেঙেছে। আদর্শিক কমিটমেন্টের অভাবে বিচ্যুত হয়েছে। নেতৃত্বের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে পথ হারিয়েছে। সুনির্দিষ্ট টার্গেটের অভাবে হঠকারী হয়েছে। আদর্শহীন অতি বাম ভাবনা আর অর্থহীন ভান জাসদের রাজনৈতিক মতাদর্শকে স্থিতি দেয়নি। তাই বলে জাসদের উত্থান ‘পাপ’ ছিল না, সময়ের চাহিদা পূরণের তাড়না ছিল। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হলেন, প্রেসিডেন্ট হলেন; শেষ পর্যন্ত বাকশাল করে একদলীয় পথে হাঁটলেন। তত দিনে চাটার দল শুধু কম্বল নয়, ভিক্ষে করে আনা সব সম্বলই খাবলে খেয়েছে। দুর্ভিক্ষ কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার প্রাণ। তলাবিহীন ঝুড়ি নিয়ে বঙ্গবন্ধু যখন চোখে অন্ধকার দেখছিলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা তখনই সুযোগ খুঁজেছে। এভাবেই হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়ে যায়। আজ জাসদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে হলে নিজেদের বড় মাপের ভুলগুলোও সামনে আনতে হবে। সর্বহারা, নকশালপন্থী, জাসদ, সিরাজ শিকদার, মওলানা ভাসানী, জাতীয় লীগসহ তৎকালীন সবাই বিরোধী দলের স্রোত সৃষ্টি করতে চেয়েছে। মস্কোপন্থী ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি সরকারের সাথে বাকশালে ছিল। পরিস্থিতি সৃষ্টির দায় যদি বর্তায়, তৎকালীন সব বিরোধী দলকে নয় সরকারকেই দায় মেনে নিতে হবে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যাদের রাজনীতি করার অধিকার-এখতিয়ার ছিল না, তাদের টেনে লাভ কী? লালবাহিনী গণবাহিনী রক্ষীবাহিনী বাকশাল বাহিনী-সবার কাহিনী জনগণ জানে। দেশ শাসনের ব্যর্থতার দায় থেকেও আওয়ামী লীগ মুক্ত নয়। তারাই বঙ্গবন্ধুকে পয়েন্ট নো রিটার্নের পথে নিয়ে গেছেন। দলের ভেতর ষড়যন্ত্র ডালপালা মেলেছিল।
আজকের জাসদ আশাজাগানিয়া দল নয়, যদিও একসময় তারুণ্যের মনে স্বপ্ন জাগিয়েছিল। আজকের গলাবাজরা চাঁদাবাজ উচ্ছিষ্টভোগী, সেদিন ছিলেন পেছনের কাতারে। যে দু-চারজন সামনে বাড়ানো ছিলেনÑ তাদের বেশ ক’জন ছিলেন গণবাহিনীর সদস্য। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আশ্রয়ী রাজনীতি তাদের ধাতে নেই। কারণ নেগেটিভ অ্যাপ্রোচ নিয়েই জাসদের উত্থান। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র সম্পর্কে তাদের ধারণা মার্কসবাদ মাওবাদ সমর্থিত নয়। কাচের মতো ভাঙার পর জাসদের আর কোনো নিজস্ব রাজনীতি নেই। স্বভাবতই ক্ষমতার কোলবালিশ হওয়ার মধ্যেই কিছু নেতা সার্থকতা খুঁজে পেয়েছেন। এখন জাসদ-আওয়ামী লীগের বিতণ্ডা-বিতর্ক লোক দেখানো এবং পাতানো তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। যারা উপভোগ্য ভেবে তক্কাতক্কি করছেন তারা ভেবে বসলেন, জাতীয় সমস্যা থেকে দৃষ্টি ফেরানোর এটাই একটা ভালো প্রেসক্রিপশন হতে পারে। অমনি ইস্যুটিকে লুফে নিলেন। এই কুতর্ক আরেকটি ট্র্যাজেডিকে ডেকে আনবে না তো?
গার্ডিয়ান যে রাজনৈতিক সাইক্লোনের আলামত দেখছে, সেটাই কি সত্য হয়ে যাবে? গণগ্রেফতার, ক্রসফায়ার, গুপ্ত হত্যা, সংখ্যালঘুদের হুমকি দিয়ে ভারতের সিম্প্যাথি আদায়ের চেষ্টা, আইএস ধূম্রজাল কোনটাই মূল রোগ নয়, উপসর্গ। সাইক্লোনের আগে নিম্নচাপ কি না, সেটাও ভেবে দেখা প্রয়োজন।
masud2151@gmail.com

Top