ঢাকা, ||

তীব্র তাপদাহ সরিয়ে এসেছে শীতল আষাঢ়


কৃষি ও প্রকৃতি

প্রকাশিত: ১২:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০১৬

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ। গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহের পর প্রকৃতিকে শীতল করতে আসে বর্ষা। বৃষ্টিধারায় সিক্ত হয়ে প্রাণ ফিরে পায় সবুজ প্রকৃতি। স্বস্তির সঙ্গে জনজীবনে কিছুটা ভোগান্তিও বাড়ে। তবু বাংলার ষড়ঋতুর মাঝে নিজের সব চেয়ে স্পষ্ট অস্তিত্ব নিয়ে বর্ষা এ দেশের সংস্কৃতিরও সঙ্গী।

আকাশে মেঘের গুড়গুড় কিংবা ঝরঝর বৃষ্টির শব্দ শোনা যাক বা নাই যাক, আজ পহেলা আষাঢ়। ফুলবতী না হলেও বর্ষার পরশে যেন যৌবনবতী হয়েছে কদমের ডালগুলো। কিছুদিনের মধ্যে বনে বনে হেসে উঠবে কেয়া-কদম আর জুঁই-চামেলি।

আষাঢ়-শ্রাবণ এ দু’মাসে হয় বাংলায় বর্ষা। আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপ-রসে জড়িয়ে থাকে এ ঋতু। রিমঝিম বৃষ্টিতে ভিজে বাঙালির শৈশব কাটে তুমুল আনন্দে। দুরন্ত কিশোর-কিশোরী আনন্দে গায়ে মাখে বৃষ্টির ফোঁটা।

বাঙালির জীবন-প্রবাহে ওতোপ্রতভাবে জড়িয়ে আছে বর্ষাকাল। কৃষি থেকে শুরু করে সাহিত্য-সংস্কৃতি- সব জায়গাতেই বর্ষার প্রভাব। কবিরা রচনা করেছেন হাজারো গান, কবিতা।

বর্ষা যেমন বাঙালির জীবনে আশীর্বাদ। তেমনি দুঃখেরও কারণ কখনো কখনো। বর্ষার অকৃত্রিম দান কৃষকের সেচের খরচ যেমন বাঁচিয়ে দেয় আবার অতি বর্ষণ, বন্যা ক্ষতিরও কারণ হয়। আনন্দ-বেদনার এমন বর্ষার সঙ্গে বাঙালির যুগ-যুগান্তের মিতালি।

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারা দেশে আষাঢ়কে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। চ্যানেল আইতে থাকছে বিশেষ আয়োজন।

Top