ঢাকা, ||

ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষক বরখাস্ত


ঢাকা

প্রকাশিত: ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

বন্দরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অশ্লীল ছবি মোবাইলে ধারণ করে রাখার অভিযোগ মাদরাসার এক শিক্ষককের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন সুমনকে মাদরাসা থেকে বের করে দিয়েছেন ম্যানেজিং কমিটি। এ ঘটনাটি ঘটেছে কামতাল মালিভিটা এলাকায় অবস্থিত নুরুন আলানুর এছাহাকিয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায়। নব যোগদানকারী তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন সুমন ওই মাদরাসার সুপারের অপন ভাগিনা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা না নেয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল হক ভূঁইয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নন এমপিওভুক্ত মাদরাসার তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন সুমনের কাছে কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহনের জন্য নবম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তো। মাদরাসা চলাকালীন গত বুধবার দুপুরে মধ্যহ্নের আহার বিরতিতে ওই ছাত্রী কম্পিটার কক্ষে প্রবেশ করে। এসময় শিক্ষক সাজ্জাদ ওই ছাত্রীকে যাপটে ধরে নিজের মোবাইলে অশ্লীল ছবি ধারন করে। এ ঘটনাটি মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে উঠে এবং ওই শিক্ষককের অপসারণ ও শাস্তি দাবি করে। পরে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) মাওলানা আব্দুস ছাত্তার অভিযুক্ত শিক্ষক সাজ্জাদকে ওই দিনই মাদরাসা থেকে বের দেয়। এ ঘটনায় মাদরাসা পরিচালনা কমিটি সদ্য যোগদানকারী আইটিসি শাখার শিক্ষক সাজ্জাদকে মাদরাসা থেকে বরখাস্ত করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। মাদরাসা খোলা তারিখেই রেজুলেশনের মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হবে। এদিকে মাদরাসা সুপারের আপন ভাগিনা হওয়ায় ওই শিক্ষককের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল হক ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও মাদরাসা কমিটির সভাপতি আবু সাঈদ অস্বীকার করে বিষয়টি এড়িয়ে যান। বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী হাবিবা জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকরে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Top