ঢাকা, ||

আ.লীগ-বিএনপি-জাপার লড়াই


নির্বাচন

প্রকাশিত: ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৭

দীন মোহাম্মাদ দীনু

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

নির্বাচনী রাজনীতি নারায়ণগঞ্জ

আ.লীগ-বিএনপি-জাপার লড়াই

সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেও বইছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। দেশের বেশিরভাগ আসনে নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির হলেও নারায়ণগঞ্জের প্রেক্ষাপটে কয়েকটি আসনে জাতীয় পার্টি তৃতীয় শক্তি হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছে। কেননা, দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাও) আসন জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়। এতে সদর-বন্দর আসনে নাসিম ওসমান এবং সোনারগাঁওয়ে লিয়াকত হোসেন খোকা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে নাসিম ওসমান মৃত্যুবরণ করলে তার ছোটভাই ও ব্যবসায়ী নেতা সেলিম ওসমান ওই আসনে নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনী জোট হলে জাতীয় পার্টি এ দুটি আসন জোরালোভাবে দাবি করতে পারে। জেলায় জামায়াতের সাংগঠনিক অবস্থান থাকলেও ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর থেকে এখনও তারা ৫টি আসনে কোনও প্রার্থী দেয়নি। সব নির্বাচনেই বিএনপিকেই সমর্থন করেছে দলটি। তবে সিপিবি, বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ ছোট দলগুলো বরাবরই নিজেদের প্রার্থী দিচ্ছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে আভাস পাওয়া গেছে।

সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভা নিয়ে গঠিত শিল্পাঞ্চল খ্যাত নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় মাঠে সক্রিয় রয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একের অধিক করে নেতা। রুপগঞ্জের সম্ভাব্য এসব প্রার্থীর বেশিরভাগই বয়সে প্রবীণ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেনÑ বর্তমান এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সভাপতি সাবেক এমপি মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ বীরউত্তম, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শাহজাহান ভুঁইয়া। এছাড়া আলোচনায় আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ বীরউত্তম জানান, তিনি এ আসনে ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানেও জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এলাকার মানুষের পাশে রয়েছেন। সময়ই বলে দেবে কখন কি করতে হবে।

সাংসদ গাজী গোলাম দস্তগীরও মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তার কর্মী-সমর্থকরা মনে করেন, আগামী নির্বাচনে তিনিই মনোনয়ন পাচ্ছেন। তবে বর্তমান সাংসদের বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একাংশের রয়েছে নানা অভিযোগ। তাদের মতে, সাংসদ এলাকার রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে স্ত্রী হাসিনা গাজীকে তারাবো পৌরসভার মেয়র বানিয়েছেন; ছেলে গোলাম মোর্তুজা পাপ্পাকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে চান। এছাড়া ২০১৪ সালে গাজী গোলাম দস্তগীরকে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শওকত আলীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়।

বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও কাজী মনিরুজ্জামান নির্বাচনী এলাকায় দলীয় কর্মসূচি পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া আলোচনায় আছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর নাম। তারা প্রত্যেকেই দলীয় হাইকমান্ডের সঙ্গে লবিং করছেন। এর মধ্যে নবম সংসদ নির্বাচনে কাজী মনিরুজ্জামান বর্তমান এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর কাছে পরাজিত হন।

নারায়নগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হন সাবেক ছাত্রনেতা নজরুল ইসলাম বাবু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবারও তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী। তার মাধ্যমে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হলেও দলের একটি অংশ তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ওই অংশটির অভিযোগ, বাবু নির্বাচিত হওয়ার পর দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে অন্য দলের নেতাকর্মীদের দলে নিয়ে আসার ব্যাপারে বেশি কাজ করেছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক সাংসদ এমদাদুল হক ভুঁইয়া, সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা আনোয়ার পারভেজের নাম আলোচনায় আছে। তারা মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে লবিং শুরু করেছেন। এ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। এখানে অনেকেই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হতে পারেন। সেক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই আমাদের কাছে চূড়ান্ত হবে।

আড়াইহাজারে বিএনপিরও শক্ত অবস্থান রয়েছে। কোন্দল মিটিয়ে দলটি একক প্রার্থী দিতে পারলে আওয়ামী লীগকে পড়তে হতে পারে চ্যালেঞ্জের মুখে। বিএনপির মনোনয়ন পেতে লবিং করছেন সাবেক সাংসদ আতাউর রহমান আঙ্গুর ও তার বড় ভাই কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা বদরুজ্জামান খসরু ও বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ব্যবসায়িক পার্টনার নজরুল ইসলাম আজাদ। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এরইমধ্যে তার দলের প্রার্থী হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা আলমগীর সিকাদার লোটনের নাম ঘোষণা করেছেন।

নারায়নগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসন ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। ফলে এলাকার রাজনীতিতে নতুন মুখ লিয়াকত হোসেন খোকা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থী কায়সার হাসনাত। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ প্রাথমিকভাবে দলের যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে ছিল কায়সার হাসনাতের চাচা ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেনের নাম। এবার জাতীয় পার্টির সঙ্গে নির্বাচনী জোট না হলে কায়সার হাসনাত আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে মোশাররফ হোসেন দল থেকে এবারো মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিব) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বীরু ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপসম্পাদক এইচ এম মাসুদ দুলাল। তারা মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে লবিং করছেন।

সোনারগাঁও আসনটি বরাবরই বিএনপির ছিল। ১৯৯০ সালের নির্বাচন থেকে শুরু করে এ আসনে বরাবরই বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম জয়ী হয়েছেন। তবে ২০০৮ সালে তিনি পরাজিত হন। এবারও তিনি দলের প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। তার পাশাপাশি দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোনা যাচ্ছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আপেল মাহমুদ ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু জাফরের নাম। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টিএম কামালের বাড়ি সোনারগাঁ উপজেলায়। তিনি এ আসনে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) জেলার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ আসন। এখানে বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বর্তমান সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসাবে তিনি ইতোমধ্যে দলকে গুছিয়ে নিচ্ছেন এবং সভা-সমাবেশ অব্যাহত রেখেছেন। এ আসনে তার বিকল্প প্রার্থী আওয়ামী লীগে নেই।

জনসমর্থন ও ভোটের হিসাবে ফতুল্লা-সিদ্দিরগঞ্জ আসনে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান থাকলেও মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা একাধিক। সাবেক সাংসদ গিয়াসউদ্দিন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী শিল্পপতি শাহ আলমও এবার নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে গিয়াসউদ্দিনের একজন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ শাহআলম। এ ছাড়াও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গুঞ্জন আছে সাবেক সাংসদ ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোহাম্মদ আলী এবং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে নিয়ে।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসন মূলত শীতলক্ষ্যা নদীর দুই তীর ঘিরে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে এ আসনে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। ১৯৯৬ সালে জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও সাবেক সচিব এস এম আকরাম। ২০০১ সালে আবার বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে জোটবদ্ধ নির্বাচনের কারণে আওয়ামী লীগ এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়। ফলে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জয়ী হন নাসিম ওসমান। ২০১৪ সালেও নাসিম ওসমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরে তার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে তার ছোট ভাই ব্যবসায়ী নেতা সেলিম ওসমান জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পরপর দু’বার আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিলেও এবার স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলীয় প্রার্থী দেওয়ার দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই জানান, তারা ২০১৯ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ। জেলার ৫টি আসনেই এবার দলের প্রার্থী দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা। দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় আছে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল কাদির, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীর ছোট ভাই আলী রেজা উজ্জল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আরজু রহমান ভুইয়ার নাম। তবে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ বর্তমানে নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত এস এম আকরামকে দলে ফিরিয়ে এনে ৫ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তাকে দলে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সভানেত্রী শেখ হাসিনা সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলেও স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।

বিএনপি থেকে সাবেক সাংসদ ও মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবার দলের প্রার্থী হচ্ছেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত করেছে দলের একটি সূত্র। তবে সদ্য সমাপ্ত সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে দলের পরাজিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনও সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে প্রস্ততি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার রূপগঞ্জের পাশাপাশি সদরেও প্রার্থী হতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সদর আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সেলিম ওসমান একজন শক্তিশালী প্রার্থী। দলের সাংগঠনিক শক্তি যাই হোক না কেন, এলাকায় তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য এবং ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে। জোটবদ্ধ নির্বাচন না হলে সেলিম ওসমান জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের জন্য তিনি ফ্যাক্টর হতে পারেন। তবে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে সেক্ষেত্রে সেলিম ওসমানের মনোনয়নের ব্যাপারে তার দলের নেতাকর্মীরা আশাবাদী।

Top