ঢাকা, ||

আমতলীর কামার পল্লীতে বেড়েছে ব্যস্ততা


বরিশাল

প্রকাশিত: ২:১২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৭

আব্দুল্লাহ আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

 

বরগুনা প্রতিনিধি ।।
বরগুনার আমতলীতে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে কামার পল্লীতে বেড়েছে ব্যস্ততা – যেন দম ফেলার সময় নেই। পবিত্র ঈদুল আযহা তথা কোরবানীর ঈদের আর কয়েকদিন বাকি।
কোরবানীর পশু কাটা-কুটিতে চাই ধারালো দা, বটি ও ছুরি। ঈদকে কেন্দ্র করে আমতলী ও তালতলী উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের কামার পল্লী ইতোমধ্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কয়লার চুলোয় দগদগে আগুনে গরম লোহায় ওস্তাদ-সাগরেদের ছন্দময় পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামারশালাগুলো।
পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে এখন ব্যস্ততা আরও বেড়ে গেছে। আমতলীর হলদিয়া বাজারের কালাচাদ কামার জানান, কোরবানী ঈদের শতশত গরু, খাসি, , মহিষ ইত্যাদি পশু কোরবানী করা হয়ে থাকে।
এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার জন্য চূড়ান্ত প্র¯ুÍতি পর্যন্ত দা-বটি, ছুড়ি-ছোড়া, চাপাতি ইত্যাদির ধাতব হাতিয়ার অবশ্য প্রয়োজন হয়। ঈদের বিপুল চাহিদার যোগান দিতে আরও এক মাস আগে থেকেই কাজ শুরু হয়েছে। একই ধরনের কথা বললেন তালতলী সদরের সুনীল কামার, পৌরশহরের উত্তম কামার।
তারাও পুরাদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যেন নিশ্বাস ফেলার সময় নেই। ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকলেও ক্রেতাদের চাহিদা সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঈদের আগ পর্যন্ত ঠিকমত নাওয়া খাওয়ার সময় পাওয়া যাচ্ছে না।
কাঁচা-পাকা লোহা দিয়ে তৈরী করা হয় ধাতব যন্ত্রপাতি। পাকা লোহার দা-ছুড়ি সবসময়ই বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দা আকৃতি ও লোহা ভেদে ৬০থেকে ৪৭০ টাকা, ছুরি ৪০ থেকে ৪০০ টাকা, ছোরা প্রতিটি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি এক একটি ২২০ থেকে ৪০০ টাকা এবং ধার করার স্টিল প্রতিটি ৫০ টাকা করে বেঁচাকেনা হচ্ছে। পুরানো যন্ত্রপাতি শানদিতে বা “পানি” দিতে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
তবে এক্ষেত্রে একদামের কারবার নেই। বিক্রেতার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ক্রেতা দাম চূড়ান্ত করতে পারবেন। কামার পল্লীতে নতুন দা-ছুরি বানানোর ব্যস্ততার সাথে সময় পাড় করছেন ।

Top